পঞ্চায়েত ভোট কবে? দিনক্ষণ 'ঘোষণা' করলেন শুভেন্দু, রাজ্যকে একহাত - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

সোমবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৩

পঞ্চায়েত ভোট কবে? দিনক্ষণ 'ঘোষণা' করলেন শুভেন্দু, রাজ্যকে একহাত

 


কলকাতা: বহুদিন ধরেই পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে গুঞ্জন চলছে। আদতে কবে হবে ভোট, কবেই বা তার ঘোষণা হবে, তা নিয়ে কৌতূহল। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোট করাতে প্রস্তুত। ওদিকে আদালতে এই ভোট ঘোষণার বিরোধিতা করে যে মামলা হয়েছিল তাও খারিজ হয়েছে। এতএব ভোটের ঘোষণা হতে এখন কোনও বাধাই নেই। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও রকম ঘোষণা তো দূর, ইঙ্গিত পর্যন্ত মেলেনি ভোটের দিনক্ষণের। তবে আজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিরাট দাবি করেছেন। তিনিই কার্যত পঞ্চায়েত ভোটের দিন 'ঘোষণা' করে দিয়েছেন। 

আরও পড়ুন: বীরভূম থেকে সংখ্যালঘুদের কাছে টানার বার্তা শুভেন্দুর! ভোটের আগে নয়া কৌশল?


সোমবার খেজুরির ঠাকুরনগরে সভা ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। সেই সভা থেকেই তিনি দাবি করেছেন, সব খবর তাঁর কাছে থাকে। রাজ্য সরকার আগামী ২ মে পঞ্চায়েত ভোট করাতে চাইছে। বিজেপি নেতা এও দাবি করেন, এক দফায় এবং পুলিশ দিয়ে এই ভোট করাতে উদ্যোগী রাজ্য। শুভেন্দুর কথায়, বাংলায় যাতে রক্তগঙ্গা বয়ে যায় সেই চেষ্টাই করছে সরকার, তাই এক দফায় ভোট করাতে চাইছে। এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে অত্যাচারী বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। বিষয় হল, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তাঁর আবেদনে সাড়া দেয়নি আদালত। আবার আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা থাকলেও এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও পদক্ষেপ তিনি নেননি। 


কিন্তু হঠাৎ কী ভিত্তিতে এমন একটা দিনের কথা বললেন শুভেন্দু অধিকারী? সত্যিই কি তিনি সরকারের ভিতরের খবর জানেন? না, এমন কিছু মনে করছে না রাজনৈতিক বিশ্লেষকমহল। তাদের মতে, আসলে শুভেন্দু নিজেই চান না ওইদিন বা এক দফায় ভোট হোক। তাই এমন দাবি আগেই করে বসেছেন তিনি। এখন যদি সত্যি ওই দিন ভোট ঘোষণা হয় তাহলে সরকারেরই অস্বস্তি বাড়বে। অধিকাংশ ভাববে, বিরোধী পক্ষ সরকারের সিদ্ধান্তের কথা আগেই জেনে যাচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন