চেন্নাই: ধোনির মগজাস্ত্রে যুদ্ধ জয় চেন্নাই সুপার কিংসের৷ চিপক দেখল ধোনি ধামাকা। ১৪২৭ দিন পর ঘরের মাঠে খেলতে নেমে ঝড় তুলল হলুদ জার্সিধারীরা৷ এদিন লখনউয়ের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে চিপকের ২২ গজে পা রাখতেই ‘ধোনি’ শব্দ ব্রহ্মে গর্জে উঠল চেন্নাই। সেই চেনা ছন্দে হেলিকপ্টার শটে বলকে বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে দিলেন ক্যাপ্টেন কুল। দু’টি ছক্কা মেরে সাজঘরে ফেরেন ঠিকই, কিন্তু ততক্ষণে লিখে ফেলেছেন নতুন ইতিহাস৷ আইপিএলে ৫ হাজার রানের মালিক হয়ে গিয়েছেন মাহি। ইতিহাস রচনার সেই মুহূর্ত আরও স্মরণীয় হয়ে উঠল ঘরের মাঠে চেন্নাইয়ের জয়ে৷
এদিন টসে জিতে ধোনিদের ব্যাট করতে পাঠায় কেএল রাহুল৷ চেন্নাইয়ের ওপেনিং জুটি ঋতুরাজ ও কনওয়ে শুরুতেই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে খেলা জমিয়ে দেন। ঋতুরাজ তো আবার ছক্কা হাঁকিয়ে স্টেডিয়ামে রাখা পুরস্কারের গাড়িটিই তুবড়ে দেন। ৫৭ রান করে আউট হন তিনি৷ কনওয়ে জোড়েন ৪৭ রান৷ শিবম দুবে, মইন আলিরাও ভাল শুরু করেছিলেন। কিন্তু খুব বড় রান করতে পারলেন না। শেষ ওভারে ব্যাট করতে নামেন ধোনি। পর পর দু’বলে দু’টি ছক্কা হাঁকান ক্যাপ্টেন কুল। তৃতীয় বলে ফের ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয়ে যান চেন্নাই অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২১৭ রানে শেষ হয় চেন্নাইয়ের ইনিংস।
বড় রান তুললেও একটা সময় মনে হচ্ছিল ম্যাচ হাতের বাইরে চলে যেতে পারে। কিন্তু যেখানে মাহি, সেখানে চেনা অঙ্কও গুলিয়ে যায়৷ সঠিক সময়ে মোক্ষম চাল দিলেন ক্যাপ্টেন কুল৷ শুরু থেকেই ঝোড়ো ব্যাটিং শুরু করেন লখনউয়ের ওপেনার কাইল মায়ের্স। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান করেছিলেন তিনি। এই ম্যাচেও মাত্র ২১ বলে অর্ধশতরান করেন এই বাঁ হাতি ব্যাটার। পেসাররা যখন তাঁর হাতে মার খাচ্ছিলেন, তখন তিন স্পিনারকে আক্রমণে নিয়ে আসেন ধোনি। বদলে যায় খেলার ছবি৷ ডান হাতি অফ স্পিনার মইন ৫৩ রানের মাথায় মায়ের্সকে সাজঘরে পাঠান৷ এর পর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে লখনউয়৷ হারতে হয় লোকেশ রাহুলদের। ১২ রানে ম্যাচ জেতে চেন্নাই।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন