নয়াদিল্লি: মহাকাশে ফের দেখা যাবে এক মহাজাগতিক দৃশ্য৷ আগামী ৫ মে এই বিরল মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকবে মানুষ৷ সূর্যের আলো তির্যক ভাবে পৃথিবীর উপর পড়লে যে ছায়ার সৃষ্টি হয়, তার একেবারে বাইরের অংশকে বলে পেনুমব্রা। আগামী ৫ তারিখ পৃথিবীর সেই সূক্ষ্ম আবছায়া অংশের মধ্যে দিয়ে যাবে তার একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ। হবে চন্দ্রগ্রহণ৷ সময় রাত ৮টা ৪৪ মিনিট।
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ৫ মে’র পর এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে হলে অপেক্ষা করতে হবে প্রায় দু’দশক। ২০৪২ সালে ফের পেনুমব্রার মধ্যে দিয়ে যাবে চাঁদ। অর্থাৎ, আগামী ৫ মে-র গ্রহণ মিস করে ফেললে অপেক্ষা করতে হবে ১৯ বছর।
৫ মে-র রাতের আকাশে ঘটবে চন্দ্রগ্রহণ৷ অর্থাৎ, গ্রহণের সময় বিশ্বের যে অর্ধে রাত, সেই অর্ধেই এই বিরল চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী থাকা যাবে৷ তবে আকাশ পরিষ্কার না থাকলে মুশকিল৷ মেঘের ছায়ায় ভেস্তে যেতে পারে চাঁদ দেখার পরিকল্পনা। এই বিশেষ গ্রহণকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় পেনুব্রাল গ্রহণও বলা হয়ে থাকে। কারণ, পৃথিবীর একেবারে বাইরের ছায়া পরিচিত পেনুমব্রা নামে। আর পৃথিবীর সেই আবছা ছায়া পেরিয়েই এগিয়ে যাবে চাঁদ। সূক্ষ্ম আবছায়ার কারণে খালি চোখে এই ধরনের চন্দ্রগ্রহণ দেখা বেশ কষ্টকর।
চাঁদের নিজস্ব কোনও আলো নেই৷ সূর্যের আলোয় আলোকিত হয় সে। সূর্যের আলো চাঁদের উপর পড়ে যখন তা প্রতিফলিত হয়, তখনই চাঁদকে উজ্জ্বল দেখায়। মহাজাগতিক নিয়মে সূর্য, পৃথিবী আর চাঁদ এক সরলরেখায় চলে এলে, পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ে। তখনই হয় চন্দ্রগ্রহণ। চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করলেও এদের অবস্থানের উপর নির্ভর করে পূর্ণগ্রাস বা আংশিক (খণ্ড) গ্রাস, চন্দ্রগ্রহণ৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন