'চরম অস্বস্তিতে পড়তে চলেছেন!' বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক কুণাল - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

সোমবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৩

'চরম অস্বস্তিতে পড়তে চলেছেন!' বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক কুণাল

 


কলকাতা: ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম বার কোনও টিভি চ্যানেলের সম্মুখীন হয়ে কোনও সাক্ষাৎকার দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। দুর্নীতি মামলায় একের পর এক কড়া পর্যবেক্ষণ দেওয়ার মাঝেই ছিল সেই সাক্ষাৎকার। যা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল স্বাভাবিকভাবেই। এবার সেই সাক্ষাৎকার নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে হলফনামা চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে যে, কোনও বিচারপতি বিচারাধীন কোন বিষয় নিয়ে এভাবে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন কিনা। বিষয়টি যে আরও জটিল হয়েছে তা বলাই যায়। এই ঘটনায় বিস্ফোরক টুইট করে আরও উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর স্পষ্ট কথা, 'চরম অস্বস্তিতে পড়তে চলেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি।'

কুণাল এদিন তাঁর টুইটে লেখেন, ''দিন আগে একটি টিভি চ্যানেলে তার দেওয়া সাক্ষাৎকারের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কাছে মেনশন করেন কপিল সিব্বল ও অভিষেক মনু সিংভি। আজ প্রধান বিচারপতি রেজিস্টার জেনারেলকে শুক্রবারের মধ্যে এই বিষয়ে একটি রিপোর্ট দিতে বলেছেন। সেইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন যদি বিষয়টি সত্যি হয় তাহলে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় রাজনৈতিক নেতাদের মতো আচরণ করেছেন। এই কাজ তিনি ঠিক করেননি।'' এরপরেই বড় মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতা। তাঁর কথায়, ''যদি বিষয়টি সত্যি হয় তাহলে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে আমরা বলব ওনাকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা থেকে সরিয়ে দিতে।'' 

তাহলে কি নিয়োগ মামলা থেকে সরে যাওয়া বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্য সময়ের অপেক্ষা? কারণ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেইছেন, ওই ইন্টারভিউতে কী রয়েছে, তা তাঁদের দেখা দরকার। শীর্ষ আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, কোনও বিচারপতি কোনও বিচারাধীন বিষয় নিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন না। এমনকি প্রয়োজন হলে তাঁকে সেই মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়াও যায়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন