নিউ ইয়র্ক: চাঁদের বুকে শোনা যাবে নারীর পদধ্বনী৷ এই প্রথম চাঁদে পা রাখতে চলেছেন কোনও মহিলা মহাকাশচারী৷ যিনি আক্ষরিক অর্থেই বামন হয়ে দেখেছিলেন চাঁদ ধরার স্বপ্ন৷ সেই স্বপ্ন পূরণের দায়িত্বও তুলে নিয়েছিলেন নিজের কাঁধে৷ মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ের সেই লড়াইটা ছিল অদম্য৷
এতদিন মহাকাশে যাওয়ার ক্ষেত্রে ছিল পুরুষদের একাধিপত্য৷ সেই একাধিপত্যে থাবা বসালেন ক্রিস্টিনা কচ৷ প্রথম বার চাঁদে পা রাখার পঞ্চাশ বছর পূর্তিতেই নাসা জানিয়েছিল, এ বার চাঁদে কোনও নারীর পা পড়বে৷ তবে কি নীল আর্মস্ট্রংয়ের পর ক্রিস্টিনাই হবে সেই বিস্ময় কন্যা?
৫০ বছর পরে চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা৷ মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার এই চন্দ্রাভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে আর্টেমিস। এই মিশন নিয়েই এখন সাজোসাজো রব৷ অদম্য উদ্যোগে চলছে আয়োজন। এই মিশনের মোট পাঁচটি ভাগ রয়েছে৷ এর মধ্যে মানুষ নিয়ে চাঁদে অবতরণ করার পরিকল্পনাও আছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার। নাসা জানিয়েছে, আর্টেমিস-২ মিশনে ১০ দিনের জন্য চাঁদে পাড়ি দেবেন মহাকাশচারীরা। চার থেকে পাঁচ জন নভশ্চর সামিল এই মিশনে। তাঁদের মধ্যেই একজন অ্যাস্ট্রো-ক্রিস্টিনা ওরফে ক্রিস্টিনা কচ৷ আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে তিনজন পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে চন্দ্রাভিযানে যাচ্ছেন তিনি৷
১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই৷ প্রথমবার চাঁদের মাটি ছুঁয়েছিল মানুষ৷ পৃথিবার একমাত্র উপগ্রহে পৌঁছেছিলেন মার্কিন মহাকাশচারী নীল আর্মস্ট্রং৷ এর পরেও একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ তবে কোনও বারই মহিলা মহাকাশচারী দেখা যায়নি৷ ১৯৭২ সালে শেষবার চাঁদে গিয়েছিলেন অ্যাপেলো ১৭-র কমান্ডার ইউজিনি সার্নান৷ তার পর দীর্ঘ বিরতি৷ তবে গবেষণা থেমে থাকেনি৷ সেই সুবাদেই ফের ইতিহাস গড়ার পথে নাসা৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন