কলকাতা: দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত নয়। তবে, সম্ভবত মে মাসের মাঝামাঝি কিংবা শেষের দিকে রাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে পঞ্চায়েত ভোট৷ তার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে বলেই সূত্রের খবর৷ তবে ক’দফায় ভোটগ্রহণ হবে, কোন বাহিনী দিয়ে ভোট করানো হবে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত নয় কমিশন। তবে ভোট পরিচালনার জন্য কর্মীর অভাব হবে না বলেই কমিশন সূত্রে খবর।
এবারে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৩৩৯। কমিশন সূত্রের খবর, এক দফায় ভোট করতে যত ভোটকর্মীর প্রয়োজন, তা আছে৷ ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট করতে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ ভোটকর্মী প্রয়োজন৷ সেই তালিকা অনলাইনে মোটামুটি তৈরি করে ফেলেছেন জেলাশাসকরা। রাজ্য সরকারি কর্মী ছাড়াও স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ব্যাঙ্ক কর্মীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদেরও নেওয়া হবে বলে ঠিক করা হয়েছে। শীঘ্রই তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু হবে। এ ব্যাপারে যাবতীয় রূপরেখা তৈরির দায়িত্ব রয়েছে জেলাশাসকদের উপরে। কিন্তু একদিনে ভোট করতে গেলে যে সংখ্যক পুলিশকর্মী দরকার, সেই ব্যবস্থা হবে কোথা থেকে?
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট পরিচালনা করার জন্য প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার পুলিশ কর্মীর প্রয়োজন। তবে বাহিনী নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার এবং কমিশনের কর্তা ব্যক্তিদের মধ্যে কোনও রকম আলোচনা হয়নি। ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। তবে এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পুলিশবাহিনীর জন্য পড়শি কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। নবান্ন সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিহার, ঝাড়খণ্ড সহ দক্ষিণ ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তবে কোনও রাজ্য থেকেই সুনির্দিষ্ট আশ্বাস মেলেনি৷ অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে রাজি নয় রাজ্য৷
একদফায় ভোট করতে হলে বুথপিছু দু’জন করে পুলিশ দিতে হবে৷ তাতেঅ ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৬৭৮ জন পুলিশকর্মী প্রয়োজন৷ কী ভাবে এত বাহিনী আনা হবে, তা নিয়ে চিন্তায় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন