বড়ঞা: শুরু হয়েছিল চৈত্র সংক্রান্তিতে৷ আজ ২ বৈশাখ৷ এখনও চলছে বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি৷ প্রতি বছরই তীব্র গরম থাকে রাঢ়বঙ্গে। গত কয়েক দিন রাজ্য জুড়ে তাপপ্রবাহ চলছে৷ উষ্ণতা বেড়েছে রাঢ়বঙ্গেও৷ বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়ায়, বেড়েছে অস্বস্তি৷ এই অবস্থায় শুক্রবার থেকে মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে টানা তদন্তের কাজ করে চলেছেন সিবিআই আধিকারিকদের একটি দল। পুকুরের জল ছেঁচে একটি মোবাইল রবিবার সকালেই উদ্ধার করেছেন তাঁরা৷ চলছে অপর মোবাইল উদ্ধারের কাজ৷ তাঁরই মাঝে ক্ষণে ক্ষণে চলছে জিজ্ঞাসাবাদও৷ তার মাঝে শরীর ঠান্ডা রাখতে সকাল এবং সন্ধ্যায় নিয়ম করে শসা৷ খাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। স্থানীয় বাজার থেকে সেই শসা আসছে৷ তবে নুন খাচ্ছেন জীবনকৃষ্ণের বাড়িরই। সূত্রের খবর, সিবিআই আধিকারিকদের শসা খাওয়ার সময় দরকার মতো নুন আসছে জীবনের হেঁশেল থেকে।
শনিবার থেকে নিজেদের প্রাতরাশ এবং নৈশভোজের একটা ব্যবস্থা করে নিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। বিধায়কের বাড়ি থেকে খানিকটা দূরের একটি হোটেল থেকে দিনে রাতে সেই খাবার আসছে। তবে সকালের চা-জলখাবার ও সন্ধ্যার সময় টুকিটাকি খাবারদাবার আসছে খোদ জীবনকৃষ্ণের বাড়ি থেকেই৷ তেমনটাই জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, বাড়তে আসা ‘অতিথিদের’ পান করার জন্য ঠান্ডা জলও আসছে জীবনের বাড়ি থেকে। সিবিআই কর্তাদের কথায় একটি মাটির কলসিতে জল ভরে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা যে ঘরে অস্থায়ী ভাবে থাকছেন, সেই ঘরেই কলসিটি রাখা হয়েছে৷
সূত্রের খবর, দু’জন ডায়াবেটিস আক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দার জন্য তেতো শুক্তো সংবলিত ‘লো-কার্ব’ ডায়েটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন খোদ জীবনকৃষ্ণ নিজে৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন