কলকাতা: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে মানুষের লাইফস্টাইল৷ এর পরিণতিও বহু ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর৷ অধিকাংশ মানুষই থাইরয়েডে আক্রান্ত৷ বলে রাখা ভালো থাইরয়েড কিন্তু আমাদের শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে। তাই আমাদের শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় এই হরমোনের মাত্রা কম বা বেশি হলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এর থেকে গলগন্ড, থাইরয়েডাইটিস, হাইপারথাইরয়েডিজম, হাইপোথাইরয়েডিজম, গ্রেভস ডিজিজ, থাইরয়েড ক্যানসার, থাইরয়েড নোডুলস এবং থাইরয়েড স্টর্মের মতো অসুখ দেখা দিতে পারে।
অধিকাংশ সময় দেখা যায়, অতিরিক্তি পরিমাণে থাইরয়েড হরমোনের ফলে রোগীর শরীরে ওজন বেড়ে যায়। বেড়ে যায় খিদে৷ সেই সঙ্গে অসহ্য গরম লাগা, অতিরিক্ত ঘাম শরীরকে অস্থির করে তোলে৷ থাইরেড নিয়ন্ত্রণে মেন চলুন নির্দিষ্ট ডায়েট৷ ডায়েটিশিয়ান মনপ্রীতের কথায়, হাইপোথাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে ৫টি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের প্রয়োজন, যা এই রেসিতে মিলবে৷ কী ভাবে বানাবেন সেই খাবার৷ চলুন দেখা যাক-
• প্রেসার কুকার হালকা গরম করে তাকে দিয়ে দিল ১ চামচ দেশি ঘি৷ তার মধ্যে দিয়ে দিন টুকরো করা একটা গাজর৷ তারপর সেটি ভালো করে ঘিয়ে ভেজে নিন।
• এবার গাজরের মধ্যে আগে থাকতে ভিজিয়ে রাখা ২ চামচ মসুর ডাল যোগ করুন।
• দিয়ে দিন স্বাদ অনুযায়ী নুন ও কালো মরিচের গুড়ো৷ এবার মিশ্রনটি নাড়তে থাকুন।
• তারপর অল্প পরিমাণে জল মিশিয়ে কুকারের মুখ বন্ধ করে ১০ মিনিট রান্না করুন৷
• স্যুপের মতো হয়ে গেলে সেটি ব্লেন্ড করে উপর থেকে অল্প পরিমাণে কুমড়ো এবং সূর্যমুখী বীজ ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
এই খাবারে যে যে পুষ্টিগুণ রয়েছে তা থাইরয়েড হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই স্যুপে ভিটামিন তো আছেই, তাছাড়াও রয়েছে নানা উপকারী খনিজ যা হাইপোথাইরয়েডের জন্য খুবই উপকারী।
এই স্যুপে আছে ভিটামিন এ, আয়োডিন এবং আয়রন-এর মতো পুষ্টিকর উপাদান৷ একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, স্যুপে থাকা এইসব মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হাইপোথাইরয়েডিজমের ক্ষেত্রে উপকারী।
এছাড়াও কুমড়োর বীজে রয়েছে জিঙ্ক আর সূর্যমুখীর বীজে থাকে সেলেনিয়াম। খাবারে থাকা এই দুটি উপাদান থাইরয়েড গ্রন্থিকে সক্রিয় করে তুলতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, জিঙ্ক আর সেলেনিয়াম ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন