কোনও মানুষই সারা জীবন থাকে না, তবে ইস্তফার প্রশ্ন নেই, শেষ দেখে ছাড়ব: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৩

কোনও মানুষই সারা জীবন থাকে না, তবে ইস্তফার প্রশ্ন নেই, শেষ দেখে ছাড়ব: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

 

কলকাতা:  টেলিভশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার নিয়ে সোমবার নিজেদের পর্যবেক্ষণ জানায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি পিএস নরসিমার বেঞ্চ৷ মঙ্গলবার সেই পর্যবেক্ষণ নিয়ে মুখ খুললেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন সকালে হাই কোর্টে এলেও প্রথমার্ধ্বে এজলাসে যাননি তিনি। এর পরই হাই কোর্ট পাড়ায় রটে যায়, ইস্তফা দিতে পারেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। কিন্তু সেটা যে নিছকই রটনা তা স্পষ্ট করলেন নিজেই৷ দুপুরে এজলাসে পৌঁছে তিনি বলেন, “কে রটাচ্ছে আমি ইস্তফা দিচ্ছি। এটা ভুল রটনা৷ আমি যে লড়াই শুরু করেছি, তার শেষ দেখে ছাড়ব৷’’

একই সঙ্গে এদিন আবেগঘন হয়ে পড়েন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়৷ তিনি বলেন, ‘‘কোনও মানুষই সারা জীবন থাকে না। আমি থাকি না থাকি লড়াই চলবে৷’’ তাঁর কথায়, “আমার বিরুদ্ধে প্রধান বিচারপতিকে কিছু আইনজীবী ভুল বোঝাচ্ছেন”। 

প্রসঙ্গত, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কিনা, শুক্রবারের মধ্যে কলকাতা হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে সে বিষয়ে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাই কোর্টে মূলত শিক্ষা সংক্রান্ত মামলাগুলো দেখেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানতে চায়, আদৌ কি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় টেলিভিশনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তাঁর এজলাসে চলা মামলা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেছেন? সর্বোচ্চ আদালতের ওই নির্দেশেই উত্তাল হাই কোর্ট পাড়া৷ 

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “কোনও বিচারপতি তাঁর এজলাসে চলা মামলা নিয়ে কখনওই সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন না। যদি সত্যি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে সেই মামলাগুলি অন্য এজলাসে সরিয়ে দেওয়াই ভাল।’

সুপ্রিম কোর্ট আরও জানায়, “যদি দেখা যায় ওই সাক্ষাৎকারে বিচারপতির মন্তব্য মামলাকারীর পক্ষে গিয়েছে, কিংবা কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তি সম্পর্কে মন্তব্য করা হয়েছে, তাহলে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পৃথক এজলাসে ওইসব মামলাগুলি স্থানান্তর করা।’ এর পরেই এদিন মুখ খোলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়৷  







কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন