সিউড়ি: একা একাই দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে গরুপাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে৷ তদন্তে অসহযোগিতা সহ একাধিক অভিযোগে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে গ্রেফতার করে ইডি৷ বুধবার সন্ধ্যায় কেষ্ট-কন্যা গ্রেফতার হতেই তার প্রভাব পড়ল বোলপুরের নিচুপট্টির বাড়িতে। এর আগেও নীল বাড় জনশূন্য হয়েছে। তবে এবার যেন একটু বেশিই শুনশান৷ পাশেই থাকেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতির দাদা সুব্রত মণ্ডল ও তাঁর পরিবার। তবে সুকন্যা গ্রেফতার হওয়ার পরেও তাঁরা উদাসীন। তাঁদের সাফ কথা, কোনও সম্পর্ক ছিল না।
বুধবার দিল্লিতে ইডির দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছিল কেষ্ট-কন্যাকে। দীর্ঘক্ষণ জেরার পর সন্ধ্যাায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রী. তদন্তকারী সংস্থা ইডি। বৃহস্পতিবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে তোলা হলে বিচারক সুকন্যাকে ৩ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয়৷ বৃহস্পতিবার সুকন্যার গ্রেফতারির বিষয়ে আলোচনায় বসে বীরভূমের জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। জেলায় দলের মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘সুকন্যা আমাদের দলের সদস্য নন। কিন্তু তাঁকে এভাবে গ্রেফতার করার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। দু’বছর আগে সুকন্যার মা মারা গিয়েছেন। তাঁর বাবা এখন জেলে বন্দি। সুকন্যা তদন্তকারীদের সাহায্য করেছেন। যখনই ওঁকে ডাকা হয়েছে, উনি হাজিরা দিয়েছেন। সমস্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার পরেও তাঁকে কেন গ্রেফতার করা হল? আমরা সবরকমভাবে ওঁর পাশে আছি।”
এদিকে বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রতর বাড়ির ঠিক পাশেই থাকেন তাঁর দাদা সুব্রত মণ্ডল। তিনি কিন্তু সুকন্যার গ্রেফতারির খবরে উদাসীন৷ তাঁর বক্তব্য, ‘‘ওদের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ নেই। ওর বাবা মানে আমার ভাই গ্রেফতার হওয়ার পর ওর পাশে দাঁড়াতে গিয়েছিলাম। কিন্তু ওই রাতে সুকন্যা এতটাই অস্বাভাবিক আচরণ করে যে শেষপর্যন্ত দলের লোকজনকে ছুটে আসতে হয়েছিল। তারপর থেকে আমরা দূরত্ব বজায় রেখে চলেছি৷ আর কোনওই সম্পর্ক নেই।”

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন