বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘মন্তব্যে’র বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ, কী বলল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ? - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘মন্তব্যে’র বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ, কী বলল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ?



কলকাতা: একের পর এক দৃষ্ঠান্তমূলক নির্দেশে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়৷  নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একের পর এক সিবিআই তদন্তের নির্দেশ থেকে হাজার হাজার ‘অবৈধ’ চাকরিপ্রার্থীর চাকরি খারিজ হয়েছে তাঁর নির্দেশে৷ পাশাপাশি তাঁর একের পর এক নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টে স্থগিতাদেশও জারি হচ্ছে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগও উঠছে। এ বার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ জানালেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি৷ তাও আবার প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে। সিঙ্ঘভি আদালতে বলেন, ‘‘হাই কোর্টের বিচারপতি বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বলে কি যা ইচ্ছে করা যায়? জমিদারি নাকি? ’’

এর আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মুকুল রোহতগি সুপ্রিম কোর্টে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ জানানো হয়েছিল বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর বেঞ্চে৷ তাঁর অভিযোগ ছিল, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দুর্নীতির মামলা শুনছেন। তিনিই আবার সেই মামলা নিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন। তাঁর এই মামলা শোনার কোনও অধিকার থাকতে উচিত নয়৷ 

এদিকে নিয়োগ দুর্নীতিতে কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় অভিষেকের বিরুদ্ধে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের তদন্তের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। গত সপ্তায় স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় চাকরি খারিজের যাবতীয় নির্দেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। তার আগে গত ২৯ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর বেঞ্চ ২০২০ সালে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই ও ইডি-র যৌথ তদন্তের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয়। তার পরের দিনই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,  ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বলে কি যা ইচ্ছে করা যায়? জমিদারি নাকি? ’’ সিঙ্ঘভি সেই কথা টেনে আজ বলেন, ‘‘এ সবের অনুমতি দেওয়া যায় না।’’






কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন