শিলিগুড়ি: সাত সকালে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ৷ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে একাধিক স্থানে। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল শিলিগুড়ির থেকে ১৪০ কিমি দক্ষিণপশ্চিমে বিহারের পূর্ণিয়ায়। সেই ধাক্কা লাগে এ রাজ্যেও৷ মূলত উত্তরবঙ্গের দুই দিনজপুর, মালদা, এবং শিলিগুড়ি সংলগ্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে৷ ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেসমোলজি জানাচ্ছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিমি গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। ভূমিকম্পের জেরে পূর্ব নেপাল এবং বাংলাদেশের উত্তরাংশেও হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে৷
বুধবার ভোর ৫টা ৩৫ মিনিট নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৪.৩। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেসমোলজির রিপোর্ট বলছে, সবথেকে বেশি কম্পন অনুভূত হয়েছে বিহার-নেপাল সীমান্তের অদূরে অবস্থিত আরারিয়ায়। মার্কিন জিওলজিকাল সার্ভে জনাচ্ছে, এদিন রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৪। তবে ভূমিকম্পের জেরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা মৃত্যুর খবর মেলেনি৷
এদিন বিহারের ভাগলপুর, কাটিহার, কিষাণগঞ্জে কম্পন অনুভূত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলায় দুই দিনানাজপুরেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে খবর। তাছাড়া নেপাল এবং বাংলাদেশেরও বেশ কিছু জায়গায় কম্পন অনুভূত হয়৷
এর আগে গত রবিবার দুপুর থেকে শুরু করে ৫ ঘণ্টায় ৪ বার কেঁপে উঠেছিল বঙ্গোপসাগরের নিকোবর দ্বীপ৷ প্রথমে কম্পন অনুভূত হয় দুপুর ১টা ১৬ মিনিটে৷ প্রথমে রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৪.৯৷ দ্বিতীয় ভূকম্পন অনুভূত হয় বেলা ২টা ৫৯ মিনিটে। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৪.১। বিকেল ৪টা ১ মিনিটে ফের তৃতীয় বার ভূকম্পন হয়। রিখটার স্কেলে যার তীব্রতা ছিল ৫.৩। বিকেল ৫টা বেজে ৪৭ মিনিটে শেষবার পেঁকে ওঠে সাগরের জল৷ রিখটার স্কলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.৫৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন