অভিষেকের লিডারশিপে কথাটা সাফল্য পাবে 'তৃণমূলে নবজোয়ার' কর্মসূচি? - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৩

অভিষেকের লিডারশিপে কথাটা সাফল্য পাবে 'তৃণমূলে নবজোয়ার' কর্মসূচি?



নিজস্ব প্রতিনিধি: এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়া দু'মাসের দীর্ঘ কর্মসূচি পালন করছে তৃণমূল। নেতৃত্বে রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মসূচি শুরুর প্রথম দিনেই তীব্র বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। তাই আগামী দিনে কর্মসূচি কথাটা সুষ্ঠুভাবে হবে সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, মমতা-হীন এই কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা রেখাপাত করবে সেটা নিয়েও চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে। স্বাভাবিকভাবেই নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে মমতা ও অভিষেকের মধ্যে তুলনা চলে আসছে। দল পরিচালনায় মমতার প্রধান সম্পদ হল তৃণমূলের বুথস্তরের বহু নেতা-কর্মীর নাম মনে রাখা। 

 

বহু সময় দেখা গিয়েছে জেলা সফরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নাম ধরে ধরে অনেককে সম্বোধন করছেন। তাঁরা যে সবাই জেলা স্তরের নিরিখে প্রথম সারির নেতা-নেত্রী, তা কিন্তু নয়। তা সত্ত্বেও তাঁদের নামধাম কিন্তু এখনও মনে রেখে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সবচেয়ে বড় কথা সাধারণ মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে আপন করে নিতে পারেন মমতা। আর তিনি যে ভাষায় বক্তব্য রাখেন সেটার সঙ্গে সাধারণ মানুষের বড় অংশ নিজেদের অনায়াসে 'রিলেট' করতে পারেন। অন্যদিকে অভিষেকের হাঁটাচলা, বক্তব্য রাখা এবং শরীরী ভাষার মধ্যে কিছুটা হলেও কর্পোরেট স্টাইল রয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি এই তিনটি ভাষাতেই অত্যন্ত সাবলীল তিনি। 

একজন রাজনীতিকের এই গুণ থাকলে তাঁর দল পরিচালনায় যে খুবই সুবিধা হয় সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু তা সত্ত্বেও অভিষেকের উপর তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি রাজ্যবাসীর কতটা আস্থা রয়েছে সেটা এখনও পরীক্ষিত নয়। উল্লেখ্য একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতার পাশাপাশি সমান্তরাল ভাবে অভিষেকও প্রচুর সভা করেছেন। 

দেড়শোর বেশি সভা করেছিলেন তিনি। তাই তৃণমূলের বিপুল জয়ের কৃতিত্বের একটা অংশ তাঁর অবশ্যই প্রাপ্য। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটা বলতেই হবে মমতা ময়দানে না থাকলে অভিষেকের ক্ষমতা ছিল না একার প্রচারে বিজেপিকে হারিয়ে দেওয়া। তাই আগামী দু'মাস ধরে যে কর্মসূচি হতে চলেছে তার মাধ্যমে কী সব অংশের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন অভিষেক? এই প্রশ্ন অবধারিত ভাবে উঠছে। আর সেই কঠিন পরীক্ষাতেই নেমেছেন অভিষেক। শান্তিপূর্ণভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচন যদি শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়, এবং তাতে তৃণমূল বিপুল জয় পায় তাহলে নিঃসন্দেহে অভিষেকের গুরুত্ব দলে আরও বাড়বে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটারদের একটা বড় অংশ ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। বুথে বুথে শাসক দলের বিরুদ্ধে রিগিংয়ের অভিযোগ ওঠে। তাই এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন যদি সুষ্ঠুভাবে হয় তাহলে সেই কৃতিত্ব অনেকটাই যাবে অভিষেকের দিকে। তাই নেতৃত্ব দানের ক্ষেত্রে মমতার কাছাকাছি কতটা যেতে পারছেন অভিষেক সেটা আগামী দিনেই স্পষ্ট হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন