ফের দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্ত হাই কোর্টের, ১৪ বছর আগের পদ বকেয়া বেতন সহ ফেরত শিক্ষিকাকে - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩

ফের দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্ত হাই কোর্টের, ১৪ বছর আগের পদ বকেয়া বেতন সহ ফেরত শিক্ষিকাকে

 

কলকাতা: ফের মানবিক কলকাতা হাই কোর্ট৷ ১৪ বছর আগে যে পদ প্রাপ্য ছিল শিক্ষিকার, সেই পদ ফেরাল আদালত৷ মানসিকভাবে অক্ষম ও বধির শিশুদের জন্য একটি স্কুল খুলেছিলেন ওই শিক্ষিকা। কিন্তু সেই স্কুলেই অর্গানাইজিং শিক্ষক হিসেবে এতগুলো বছর কাটাতে হয় তাঁকে। কোনও স্থায়ী পদ পাননি। এই বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অদিতি মজুমদার নামে ওই শিক্ষিকা৷ বিচার-বিবেচনা করে ওই শিক্ষিকাকে তাঁর পদ বকেয়া বেতন সহ ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগে যখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি, তখন তখন শিক্ষক নিয়োগে এমন মানবিক দৃষ্টান্ত তুলে ধরল উচ্চ আদালত।

১৯৯৮ সালে মানসিকভাবে অক্ষম ও বধির শিশুদের জন্য হাওড়া ভাষা বিকাশ কেন্দ্র নামে  একটি স্কুল খোলেন অদিতি৷ কিন্তু, সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে তাঁকে স্বীকৃতি দেয়নি শিক্ষা দফতর। ফলে বিগত ১৪ বছর তিনি অর্গানাইজিং টিচার হয়েই থেকে যান। ২০১০ সালে স্কুলটি সরকারি স্বীকৃতি পায়। সেই সময় শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের জন্য মোট ১৩টি পদ ছিল। যার মধ্যে ৫টি শিক্ষক পদ ও ৩টি অশিক্ষক পদে নিয়োগকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। কিন্তু তার মধ্যে ছিলেন না অদিতি৷ কারণ হিসাবে বলা হয়, তিনি মানসিকভাবে অক্ষম ও বধির শিশুদের শিক্ষাদানের জন্য পুরোপুরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নন৷ ফলে  তাঁকে স্থায়ী পদ দেওয়া সম্ভব নয়। 

শেষ পর্যন্ত হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন ওই শিক্ষিকা৷ আইনজীবী রবিলাল মৈত্র বলেন, রাজ্য সরকারের ২০০২ সালের নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছিল, অর্গানাইজিং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ না থাকলেও তাঁদের নিয়োগ করা যাবে। সেক্ষেত্রে নিয়োগ পাওয়ার তিন বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে। অতিদি মজুমদারের কাছে প্রথম থেকেই মানসিকভাবে অক্ষম ও বধির শিশুদের শিক্ষাদানের জন্য প্রয়োজনীয় সংশাপত্র ছিল। তাঁর ঝুলিতে বিএড ডিগ্রিও রয়েছে। তাও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। 

এর পরেই বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের নির্দেশ,  ছয় সপ্তাহের মধ্যে অদিতি মজুমদারকে  স্থায়ী শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে৷ শুধু তাই নয়, প্রথম থেকে হিসেব করে যাবতীয় বকেয়া বেতন মিটিয়ে দিতে হবে।




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন