কলকাতা: রূপান্তরকামী ও লিঙ্গসাম্য আইন নিয়ে ঝড় উঠেছে ব্রিটেনের রাজনীতিতে। এই বিতর্কের মাঝেই এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের দাবি, ‘‘১০০ শতাংশ মহিলারই পুরুষাঙ্গ নেই'।’’ প্রসঙ্গত, এর আগে ব্রিটেনের বিরোধী দল লেবার পার্টির হয়ে কিয়ার স্ট্যামার দাবি করেছিলেন, ‘‘৯৯.৯ শতাংশ মহিলাদের নিশ্চিতভাবে পুরুষাঙ্গ থাকে না।’’
ব্রিটেনের রাজনীতি উত্তাল লিঙ্গ ভিত্তিক পরিচয়ের আইন নিয়ে। সেখানে এমন এক আইন আনা হচ্ছে, যেখানে একজন মানুষ যিনি নির্দিষ্ট লিঙ্গের ভিত্তিতে পরিচিত এবং অন্যজন যিনি লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন, তাঁরা দু’জনে লিঙ্গসাম্য় আইনের আওতায় পার্থক্যের জায়গায় আসবেন। তার প্রেক্ষিতে লেবার পার্টির প্রধান এবং ব্রিটেনের পার্লামেন্টের বিরোধী দলনেতা স্যার কিয়ার স্ট্র্যামারের দাবি, ‘৯৯.৯% মহিলাদের নিশ্চিতভাবেই পুরুষাঙ্গ থাকে না।’ তাঁদেক এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই একটি সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনককে প্রশ্ন করা হয়, ‘আপনার মতে এটা কত শতাংশ?’ প্রশ্ন শুনেই হেসে ফেলেন ঋষি। তিনি কি মনে করেন, ১০০% মহিলারই পুরুষাঙ্গ থাকে না? এর জবাবে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই।’
ঋষি আরও জানান, ‘যাঁরা লিঙ্গ পরিবর্তনের কথা ভাবছেন, তাঁদের প্রতি আমাদের সহমর্মিতা, বোঝাপড়া এবং সহনশীলতা থাকা উচিত।’ তাঁর সংযোজন, ‘যখন মহিলাদের অধিকার, মহিলাদের স্থান রক্ষা করার কথা আসে, তখন আমার মনে হয়, জন্মগত লিঙ্গ পরিচয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ৷
তাঁর মতে, ‘জন্মগত লিঙ্গ পরিচয় মৌলিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ, সেটা ভুললে চলবে না। কোনও মহিলাদের স্বাস্থ্য, মহিলাদের জায়গা কিংবা খেলাধুলোর প্রশ্ন আসবে, তখন সেই জায়গায় তাঁদের অধিকার রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।’

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন