যখন প্রয়োজন বলবেন, আমি চলে আসব, বিচারপতির উদ্দেশে মানিক - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৩

যখন প্রয়োজন বলবেন, আমি চলে আসব, বিচারপতির উদ্দেশে মানিক

 



কলকাতা: নিয়োগ মামলায় অভিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে দুপুরের মধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে নিজের এজলাসে তলব করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। দুপুর ৩ টের কিছু পরেই হাজিরা দেন মানিক। এজলাসে হাজিরা দিয়েই একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। ২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া কী ভাবে হয়েছিল, কে রেজাল্ট প্রকাশ করে, আবার কার নির্দেশে ২০১৬ সালে রেজাল্ট বার করা হয়েছিল সবকিছু জানতে চান বিচারপতি। যদিও মানিকের বক্তব্য, এত তথ্য অল্প সময়ে বলা সম্ভব নয়। তিনি আদালতের কাছে সময় চেয়ে নেন। 


আগেই অনুমান করা হচ্ছিল, ২০১৬ সালের নিয়োগ সংক্রান্ত বেশ কিছু নথির বিষয় নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তেমনটাই করা হয়েছে। এদিন বিচারপতি তাঁর কাছে উপরিউক্ত বিষয়গুলি জানতে চাওয়ার পাশাপাশি তিনি এস পি বসু রায় চৌধুরীর নাম শুনেছেন কিনা জিজ্ঞেস করেন। এছাড়া বিচারপতি তাঁর কাছ থেকে আরও জানতে চান, ২০১৬ সালের রিজার্ভেশন পলিসি ঠিক ঠক মানা হয়েছিল কিনা। মানিক জানান, তাঁর মেয়াদ কালে সবই নিয়ম মেনে হয়েছে। এছাড়া সিবিআই এবং ইডি যে তদন্ত করছে সেই ব্যাপারে তাঁর কী মত সেটাও আদালত জানতে চায়। মানিক জানান, তিনি অসহায় হয়েই আছেন। তবে তাঁর কারোর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। 


তবে বিচারপতি তাঁকে বলেন, জেল হেফাজতে থাকার সময় তাঁর বিরুদ্ধে অনেক কথা উঠে এসেছে। এই প্রসঙ্গে মানিক জানান, যতদিন পদে ছিলেন ততদিন কোনও অভাব-অভিযোগ ছিল না। জেলে যেতেই শুনতে পাচ্ছেন। এরপরই বিশেষ ব্যক্তিগত কথা বলার জন্য নিজের কাছে মানিক ভট্টাচার্যকে ডেকে নেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে তারা একে অপরকে চেনেন, এমনকি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কেও চেনেন। মানিক বিচারপতিকে জানান, যখন প্রয়োজন তাঁকে যেন জানান হয়, তিনি চলে আসবেন। শুধু তাঁকে যেন ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়।  

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন