পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হবেন শুভেন্দু, এই দাবি কি মেনে নেবে রাজ্য? - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শুক্রবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৩

পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হবেন শুভেন্দু, এই দাবি কি মেনে নেবে রাজ্য?

 


নিজস্ব প্রতিনিধি: একদিনের হনুমান জয়ন্তী উৎসব পালন যাতে নির্বিঘ্নে হয় তার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কলকাতা তথা নানা প্রান্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। আর সেই বিষয়টিকে কাজে লাগিয়ে নতুন করে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করার দাবি তুলেছেন বিরোধীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন। 

শুভেন্দুর পাশাপাশি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অন্যতম সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন না করালে তাঁরা ভোটের ডিউটিতে অংশ নেবেন না। বৃহস্পতিবার শুভেন্দু সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার প্রসঙ্গে বলেছেন, "আমার অপশন খোলা আছে। আধা সামরিক বাহিনী এবং মনোনয়ন জমা, এই দুটি বিষয়ের জন্যই আমি নতুন পিটিশন করব। আধা সামরিক বাহিনী দিয়েই ভোট হবে''। একই ভাবে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। 

 

অন্যদিকে সরকারি কর্মীদের অন্যতম সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেছেন, "অতীতে পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার কারণে বহু প্রাণহানি হয়েছে। আমরা কীভাবে বলব সরকার যেভাবে ভোট করাতে চাইছে তাতে ভোটকর্মীরা সুরক্ষিত থাকবেন? তাই আমাদের দাবি সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার সুরক্ষিত করতে এবং ভোটকর্মীদের সুরক্ষার অধিকার সুরক্ষিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট করানো যাবে না। দাবি না মানা হলে আমরা ভোট করাতে যাব না। দেখব নির্বাচন কমিশন বা সরকার কীভাবে ভোট করায়৷''  


অর্থাৎ সব মহল থেকে চাপ আসতে শুরু করেছে। কিন্তু রাজ্য সরকার যে বিরোধীদের এই দাবি মানবে না সেটা স্পষ্ট। দলীয় ভাবে তৃণমূল জানিয়ে দিয়েছে পঞ্চায়েতে সুষ্ঠুভাবে ভোট করাতে রাজ্য পুলিশই যথেষ্ট। এর আগে বিরোধীরা পঞ্চায়েত বা পুরসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি তুলে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে সরকারি কর্মীদের একাংশ একই দাবি করছেন তাতে গোটা বিষয়টা সম্পূর্ণ অন্য মাত্রা পেয়েছে। এমনিতেই ডিএ আন্দোলন নিয়ে নবান্ন যথেষ্ট চাপের মধ্যে পড়েছে। এর সঙ্গে যদি পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে সরকারি কর্মীরা পৃথকভাবে চাপ সৃষ্টি করেন তা যে নবান্নের কাছে আরও অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠবে সেটা নিয়ে সন্দেহ নেই। 


দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে যথেষ্ট চাপে রয়েছে তৃণমূল। তার মধ্যেই সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল হেরে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর দাবি যেভাবে উঠছে তাতে তৃণমূলের উপর আরও চাপ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই শুভেন্দু সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আদালত কি নির্দেশ দেয় এখন তারই অপেক্ষা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন