যোগী পুলিশের সামনে বন্দি আতিক ও তার ভাইকে গুলি! জয় শ্রী রাম স্লোগান দিয়ে হত্যা! - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

রবিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৩

যোগী পুলিশের সামনে বন্দি আতিক ও তার ভাইকে গুলি! জয় শ্রী রাম স্লোগান দিয়ে হত্যা!

লখনউ: ওরা আমাকে খুন করতে চায়। এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলে গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ। সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। তাও আবার একেবারে প্রকাশ্যে। শনিবারের রাতের ছবি ভোলার নয়। দেশের বুকে এই ছবি আতঙ্কের, উদ্বেগের, ভয়ের। উত্তরপ্রদেশে পুলিশের ঘেরাটোপের মাঝে আতিক ও তাঁর ভাইকে একেবারে মাথায় বন্দুক ধরে পর পর গুলি চালানো হয়। মাটিতে  লুটিয়ে পড়েন আতিক, গুলিবিদ্ধ হন আতিকের ভাই আশরাফও। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুইজনের।

ঠিক কী ঘটেছিল শনির রাতে- মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য আতিক ও ভাই আশরাফকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখনই সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন আতিক। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, কেন যোগীপুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করেছে। আতিকের মুখে সবে হিন্দু-মুসলমান কথাটি উচ্চারিত হয়, তখনই একেবরা মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে চলতে থাকে গুলি। পুলিশি ঘেরাটোপের মধ্যে থাকা আতিক ও আশরাফকে ঘিরে ফেলে আততায়ীরা, চলতে থাকে গুলি। ঘটনাস্থলেঅ মৃত্যু হয় দুই জনের। গোটা ঘটনা ক্যামেরাবন্দি হয়েছে। কারণ সেই সময় ক্যামেরাধারী সংবাদমাধ্যম আতিকের সামনেই ছিলেন। ক্যামেরায় ওঠে গোটা খুনের ঘটনা।

সবথেকে হতবাক করার মতো ঘটনা হল, খুন করার পরই আততায়ীরা জয় শ্রী করাম শ্লোগান দিতে থাকে। তিন জন আততায়ীকে পুলিশ গ্রেফতার করে ঘটনাস্থলেই। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সাংবাদিকের ছদ্মবেশে আততায়ীরা আতিক ও আশরফকে খুন করে। শনিবার রাতেই মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় সেই ফুটেজ। দেশে আলোড়ন ছড়িয়ে পরে। নেটিজেনদের অবাক প্রশ্ন, এরকমও হতে পারে। এভাবেও প্রকাশ্যে গুলি করা যায় তাও আবার পুলিশে ঘেরাটোপে থাকা ব্যক্তিকে।

দুই দিন আগেই আতিকের ছেলে আসাদকে এনাকাউন্টার করা হয়। ছেলের শেষকৃত্যে আতিককে যেতে দেওয়ার নির্দেশ মেলেনি। কারণ তার আগেই গুজরাত থেকে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে আসা হয় আতিককে। তাই গোটা ঘটনাকে প্রথম থেকেই সাজানো বলছিলেন আতিক। তিনি বলেছিলেন, হয় তার উপর দুষ্কৃতী হামলা হবে না হলে এনকাউন্টার হবে। প্রথম টাই ঘটল।

ঘটনাচক্র দেখে নেওয়া যাক, বছরের শুরুতেই বিজেপি নেতা উমেশ পালকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। গ্যাংস্টার আতিকের তৃতীয় ছেলে আসাদ খুনে অভিযুক্ত। প্রকাশ্যে আসে আসাদের বন্দুক হাতে সিসিটিভি ফুচেজ। প্রয়াগরাজ পুলিশের নেতৃত্বে দুই দিন আগেই আসাদের এনকাউন্টার হয়। এরপরই গুজরাত থেকে আতিক ও তাঁর ভাই আশরফকে প্রয়াগরাজ নিয়ে আসা হয়। ১৫ তারিখের ঘটনা সবার সামনে। যেখানে প্রশ্ন উঠছে যোগী পুলিশের ততপরতা ঘিরেই। প্রয়াগরাজ সহ উত্তরপ্রদেশের প্রায় প্রতিটা জেলায় জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। প্রশ্ন থাকছে, কীভাবে এই হত্যা হতে দেওয়া হল। কেনই বা গুলি চালাতে চালেত দুষ্কৃতীরা জয় শ্রী রাম বলল। যোগী সরকারের নির্দেশে, এই ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তে বসবে তিন সদস্যের কমিটি। তারপরেও প্রশ্ন থাকে, কতটা নিরাপদ যোগীর উত্তরপ্রদেশ?

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন