নয়াদিল্লি: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা থেকে কোষ উৎপাদন প্রক্রিয়া ঠিক রাখা- প্রয়োজনীয় ভিটামিনের তালিকা বেশ লম্বা। তার মধ্যে যদি বাছাই করতে হয়, তাহলে অবশ্যই প্রথম সারিতে পড়বে ভিটামিন ডি। এই ভিটামিন আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত আবশ্যক৷ ভিটামিন ডি মানবদেহের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস৷ তবে সমীক্ষা বলছে, অধিকাংশ ভারতীয় নাগরিকের দেহে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি রয়েছে। আর এই ভিটামিনের অভাব হলে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হতে পারে। ভিটামিন ডি-র অভাবে হাড় ক্ষয়ে যায়, ইমিউনিটি কমে। ভিটামিন ডি-এর অভাবে ভোগেন অধিকাংশ মহিলা। তাই প্রথম থেকেই সচেতন থাকতে হবে।
ভিটামিন ডি বিভিন্ন খাবার থেকে মেলে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, এর সবথেকে বড় উৎস হল সূর্য। সূর্যালোকে থাকার মধ্যেই প্রাকৃতিক ভাবে ভিটামিন ডি তৈরির সবচেয়ে ভাল উপায়। কোটি কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে আসা সূর্যালোক থেকেই আমাদের ত্বক ভিটামিন ডি তৈরি করে নেয়।
এখন প্রশ্ন জাগতে পারে, ভারতের মতো দেশ, যেখানে প্রথর সূর্য রশ্মি মেলে, সেই দেশের মানুষের মধ্যে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হয় কী ভাবে? এর অন্যতম কারণ হল আমরা এখন বেশিরভাগ সময়ই বাড়ির মধ্যে কাটাই। ফলে সূর্যের আলো শীরর ছুঁতে পারে না। তাই এই ভিটামিন ডি-র ঘাটতিও পূরণ হয় না৷
শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি দেখা দিলে অনেক জটিলতা দেখা দিতে পারে। গুরুতর কিছু অসুখও শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সচেতন থাকার চেষ্টা করুন। সূর্যের আলোকের মাধ্যমেই ভিটামিন ডি-র ঘাটতি মিটিয়ে নিন।
ভিটামিন-ডি কী ভাবে তৈরি হয়?
আসলে আমাদের ত্বকের ভিতরে রয়েছে কোলেস্টেরল। এই কোলেস্টেরলের উপর সূর্যরশ্মি এসে পড়লে তৈরি হয় ভিটামিন ডি। এই ভিটামিন ডি সরাসরি শরীর গ্রহণ করে। এতে হাড়ের স্বাস্থ্যোন্নতি ঘটে৷ শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাব থাকলে হাড়ের ভিতরে ক্যালসিয়াম ঢুকতে পারে না। ফলে হাড় দ্রুত খইতে থাকে৷ তাই চেষ্টা করুন কষ্ট হলেও, একবার সূর্যের আলোয় এসে দাঁড়াতে। তবেই এই সকল সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন