নয়াদিল্লি: বাংলা নববর্ষেও মিলবে না স্বস্তি৷ পয়লা বৈশাখেও দিল্লির তিহাড় জেলেই কাটাতে হবে গরু পাচারা মামলার ধৃত বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। সোমবার আইনজীবীদের কর্মবিরতির জের পিছিয়ে যায় তাঁর আবেদনের শুনানি। কেষ্টকে ফের জেল হেফাজত পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওইদিন আদালতে তোলা হবে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও।
গরু পাচার মামলায় ধৃত অনুব্রত মণ্ডলকে সোমবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে তোলা হয়। তবে, এদিন তাঁর আবেদনের শুনানি হয়নি৷ গত শনিবার দিল্লির রোহিণী এলাকায় খুন হন দ্বারকা আদালতের এক আইনজীবী। সেই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কর্মবিরতির ডাক দেন দিল্লির আইনজীবীরা৷ অ্যাডভোকেট উপস্থিত না হওয়ায় বিচারকের ঘরেই পেশ করা হয় তৃণমূলের এই দাপুটে নেতাকে৷
সোমবার অন্য রূপে দেখা যায় বীরভূমের কেষ্টকে। এদিন আর হেঁটে আসেননি তিনি। বরং আদালতে আসেন হুইলচেয়ারে বসে৷ পরনে ছিল টি-শার্ট এবং ট্রাউজার। আদালতে ঢোকার সময় সাংবাদিকদের দেখে নিডে থেকেই কথা বলেন কেষ্ট। জিজ্ঞাসা করেন, “ভাল আছো?” কিন্তু কেমন আছেন অনুব্রত? উত্তরে জানান, তাঁর শরীর ভাল নেই। বুকে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যাও রয়েছে। পরিবারের উদ্দেশে তিনি কি কিছু বলতে চান? উত্তরে বলেন, “জামিন পেলে ভাল হয়।”
পাশাপাশি তিহাড়ের বদলে আসানসোল জেলে আসার জন্য আবেদন জানিয়েছেন অনুব্রত৷ তাঁর দাবি, ‘‘প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা আসানসোল জেলে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক। পরবর্তীকালে ফের দিল্লিতে আসার ক্ষেত্রেও কোনও সমস্যা নেই।" জেল বদলের এই আবেদনের শুনানিও আজ হয়নি। আগামী ৫ মে কেষ্টর এই আবেদন শুনবে রাউস অ্যাভিনিউ আদালত।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন