কলকাতা: এবার আরও কাছে সমুদ্র শহর পুরী। ইতিমধ্যেই রাজ্যে হাওড়া-এনজিপি রুটে বন্দেভারত এক্সপ্রেস চালু হয়ে গিয়েছে৷ এবার হাওড়া-পুরী রুটে ছুটবে এই ট্রেন৷ শুক্রবার সকালে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে বাংলার দ্বিতীয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের প্রথম মহড়া যাত্রা শুরু করা হল৷ বুধবার রাতেই ওড়িশার বালেশ্বর হয়ে খড়্গপুরের উপর দিয়ে সাঁতরাগাছি কারশেডে এসে পৌঁছয় ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সেমি হাইস্পিড এই ট্রেনের রেক। শুক্রবার সকাল ৬টা ১০ নাগাদ হাওড়া স্টেশনের নিউ কমপ্লেক্স থেকে পুরীর উদ্দেশে রওনা দেয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। পুরী পৌঁছনোর কথা বেলা ১২টা বেজে ৩৫ মিনিটে। সময় লাগবে আনুমানিক সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা। এরপর দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে পুরী থেকে ওই রেকটি হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেবে। পৌঁছবে রাত্রি সাড়ে ৮টা নাগাদ। অর্থাৎ, একই দিনে হাওড়া ও পুরীর মধ্যে আপ-ডাউন করবে বন্দেভারত৷
রেল সূত্রে খবর, হাওড়া-পুরী রুটে খড়্গপুর ছাড়াও আরও ৬টি স্টেশনে দাঁড়াবে এই সেমি হাই স্পিড ট্রেন৷ প্রতিটি স্টেশনেই মিনিট দুয়েকের জন্য দাঁড়ানোর কথা৷ হাওড়া থেকে পুরী যেতে এতদিন ৮-৯ ঘণ্টা সময় লাগত৷ কিন্তু বন্দে ভারতে সাড়ে ৫ ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছনো যাবে জগন্নাথ ধামে৷ বাঙালির অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র পুরী৷ কেউ জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিতে, কেউ আবার সমুদ্রের হাতছানিতে ছুটে যায় এই শহরে৷ ফলে এই রুটি বন্দে ভারত চালু হলে যা যাত্রীদের কাছে বাড়তি পাওনা হবে৷
তবে হাওড়া পুরী রুটে ঠিক কবে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্দে ভারত এক্সেপ্রেস যাত্রা শুরু করবে তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে দক্ষিণ-পূর্ব রেল সূত্রে জানা যাচ্ছে, সম্ভবত মে মাস থেকে এই রুটে নয়া বন্দে ভারত চালু হতে পারে। খড়্গপুর ডিভিশনের সিনিয়র ডিসিএম রাজেশ কুমার জানিয়েছেন, ট্রায়াল রান সফল হলে খুব শীঘ্রই পুরোদমে ট্রেন পরিষেবা শুরু হবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন