কলকাতা: নিয়োগ দুর্নীতিতে বারবার নাম জড়িয়েছে বিনোদন জগতের৷ হুগলির ব্যবসায়ী অয়ন শীল গ্রেফতার হতেই প্রকাশ্যে আসে মডেল অভিনেত্রী শ্বেতা চক্রবর্তীর নাম৷ এবার তলব পেয়ে ইডির মুখোমুখি অয়ন শীলের বিশেষ বান্ধবী৷ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান তিনি। এই প্রথম নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে শ্বেতাকে৷
অভিনেত্রী হিসাবে তিনি যতটা পরিচিত, তার চেয়ে অনেক বেশি পরিচিতি মিলেছে অয়নের গ্রেফতারির পর৷ হুগলির ব্যবসায়ী অয়ন শীলের বান্ধবী বলেই এখন অধিক পরিচিত শ্বেতা। যদিও তদন্তে নেমে ইডি জানতে পেরেছিল, তিনি নিজেকে অয়নের ‘ভাগ্নি’ বলে পরিচয় দিতেন৷ মামা-ভাগ্নির পরিচয়েই দীর্ঘদিন একসঙ্গে একটি ফ্ল্যাটে কাটিয়েছেন দু’জনে৷ শ্বেতার অবশ্য দাবি, কর্মসূত্রেই অয়নের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল তাঁর। পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন খোদ অয়নের স্ত্রী৷ কাজের সূত্রেই নাকি অয়ন তাঁকে টাকা এবং দামি গাড়ি দিয়েছিলেন।
ইডি সূত্রে খবর, অয়নের সঙ্গে শ্বেতার এই আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়টিই তাঁর কাছ থেকে জানতে চান গোয়েন্দারা। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে অয়নের বাড়ি থেকে শ্বেতার নামে লেনদেনের নথি উদ্ধার করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এখন প্রশ্ন হল নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে শ্বেতা কী জানেন, বা তিনি নিজেও এর সঙ্গে জড়িত কি না! অয়নের বিপুল সম্পত্তি এবং টাকার উৎস কী, তাও জানতে চাওয়া হবে মডেল অভিনেত্রীর কাছে৷
ইডির তলব পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে যথা সময়ে পৌঁছে যান শ্বেতা। এদিল সকাল সাড়ে দশটার সময় তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। ঠিক সাড়ে দশটাতেই ইডির দফতরে পৌঁছান মডেল শ্বেতা। অভিনেত্রীর পরনে ছিল হালকা গোলাপি রঙের সালোয়ার। মুখে মাস্ক। সিজিও চত্বরে ঢুকতেই শ্বেতার উদ্দেশে সাংবাদিকদের প্রশ্ন, ইডি কেন ডেকে পাঠিয়েছে? জানতে চাওয়া হয়, তাঁর টাকার উৎস কী? যদিও কোনও প্রশ্নের জবাব দেননি তিনি৷ মাথা নিচু করে সোজা ঢুকে যান সিজিও কমপ্লেক্সের ভিতরে৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন