কলকাতা: নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ঘোষের বিএড কলেজের কথা আগেই প্রকাশ্যে এসেছে৷ নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করতেই এই সব কলেজ খুলেছিলেন হুগলির বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা৷ এবার উঠে এল আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ জানা গেল হুগলির ধনেখালিতে ডিডিসিএল নামে লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমারের একটি ট্রাস্ট রয়েছে, সেখানেই রমরমিয়ে চলত কুন্তলের বিএড কলেজ!
জানা গিয়েছে, এই কলেজ থেকেই মাসে মাসে ৪০ হাজার টাকা বেতন ঢুকত কুন্তলের অ্যাকাউন্টে। এখন প্রশ্ন হল, প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমারের ওই ট্রাস্ট কি আদৌ কুন্তলের কলেজ সম্পর্কে অবগত ছিল? নাকি কুন্তলের প্রভাব প্রতিপত্তির সামনে মাথা নুইয়েছিল ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ? প্রসঙ্গত, ইউপিএ জমানায় ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত লোকসভার অধ্যক্ষ ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী মীরা কুমার।
‘ইন্দ্রানী দেবী ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন’ নামে এই কলেজটি ৩২ লক্ষ টাকায় খরচ করে তৈরি করেছিলেন কুন্তল৷ এই কলেজটি চালাত নিউ হরাইজন সোসাইটি। যে সোসাইটির সেক্রেটারি ছিলেন খোদ কুন্তল৷ এই সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাঁর স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষও। হরাইজন সোসাইটির সদস্য হিসেবেই মাসে ৪০ হাজার টাকা করে বেতন পেতেন তৃণমূের বহিষ্কৃত এই যুব তৃণমূল নেতা।
ইডি-র দাবি, খাতায়-কলমে ৩২ লক্ষ টাকা খরচ করে এই কলেজ তৈরি করেছিলেন কুন্তল। কিন্তু, তদন্তকারীদের অনুমান, আদতে এই টাকার অঙ্ক প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি৷ ইডি-র অনুমান ট্রাস্টকে অন্ধকারে রেখেই দুর্নীতির টাকায় কলেজ খুলে কালো টাকা সাদা করার ব্যবসা ফেঁদেছিলেন কুন্তল। হুগলি জেলায় তাঁর প্রভাব কতখানি ছিল, সে সম্পর্কে অনেকেই অবগত৷

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন