ওয়াশিংটন: অগ্ন্যাশয়ে ক্যানসার বোঝার উপায় ঘিরেই জট বাড়ে চিকিত্সকদের মধ্যে। সাধারণত, পিঠে মারাত্মক যন্ত্রণা, রেকর্ড হারে ওজন কমানোর উপসর্গগুলি অগ্ন্যাশয়ে ক্যানসারের চিহ্নবাহী বলে মনে করা হয়। ব্রিটেনের ক্যানসার গবেষণা কেন্দ্র জানাচ্ছে, সাধারণত ৮৫ থেকে ৮৯ বছর বয়সের ব্যক্তিদের অগ্ন্যাশয়ে ক্যানসার দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা অগ্ন্যাশয় ক্যানসারকে চিহ্নিত করতে এবার আরও একটি তথ্য সামনে আনছেন। যেখান বলা হচ্ছে, মল ত্যাগের ছয়টি বৈশিষ্ট্য দেখে বোঝা যাবে ব্যক্তি অগ্ন্যাশয় ক্যানসার হয়েছে কি না।
ফ্যাকাশে ও চর্বিযুক্ত মলত্যাগ-
মলে তেলের পরিমান ও চর্বি বেশি থাকলেই তা অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের ইঙ্গিতবাহী। কারণ, অগ্ন্যাশয় ক্যানসার সেই ব্যক্তির হজম ক্ষমতাকে প্রভাবিত করছে বলেই এটা ঘটছে বলে জানা যাচ্ছে।
ফ্যাট বেশি থাকা-
মাত্রাতিরিক্ত ফ্ল্যাট মলে থাকলে তা অগ্ন্যাশয় ক্যানসারকে আরও স্পষ্ট করে। যেখানে পেটের ইনফেকশনের বিষয়টিকে আরও বেশি করে সামনে আনে।
দুর্গন্ধযুক্ত-
দুর্গন্ধযুক্ত মল অগ্ন্যাশয় ক্যানসারকে আরও বৃহত্ করেই সামনে আনে। চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন, মলের গন্ধ কখনই ভালো হয় না। কিন্তু ভয়ানক দুর্গন্ধযুক্ত মল হলে সাবধান হতে হবে।
ডায়রিয়া-
ঘন ঘন ডায়রিয়া অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের অন্যতম ইঙ্গিতবাহী। যেখানে অন্ত্রে অগ্ন্যাশয়ের এনজাইমের অপর্যাপ্ত এনজাইমের কারণে ডায়রিয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কোষ্ঠকাঠিন্য-
অগ্ন্যাশয় ক্যানসার রোগীদের কোষ্ঠকাঠিন্যের উপসর্গ দেখা যায়। কারণ, বিভিন্ন ওষুধের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা যায়। যেখানে অন্ত্র খাদ্যকে কঠিন করে, যা মলের মাধ্যমে বেরোতে পারে না।
অতিরিক্ত মলত্যাগ-
অনেক সময় দিনে একবার বা দুই বারের বেশি মল ত্যাগ হয়। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন, এই মলত্যাগ তিন বারের বেশি হচ্ছে কি না। যদি তিন বারের বেশি হয় তাহলে তা চিন্তার কারণ ।
মলত্যাগের এই বৈশিষ্ট্যগুলিপ উপর নজর দিতে বলছেন ডাক্তাররা। যেখানে মনে করা হচ্ছে, এই উপসর্গ থেকেই সঠিক ক্যানসারের চিকিত্সায় যাওয়া যাবে। চিকিত্সকরা আরও একটি বিষয়ের উপর জোর দিচ্ছেন। যেখানে বলা হচ্ছে, তিরিশ শতাংশ অগ্যাশয় ক্যানসারের রোগী ধূমপানের শিকার। সেদিকে নমজর দিয়েই মলত্যাগের নিয়মিত রিপোর্টকে মাথায় রেখে রোঝ করা যেতেই পারে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন