নয়াদিল্লি: অভিযোগ উঠছে, লাগাতার প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাত্রাছাড়া প্রয়োগ কেড়ে নিচ্ছে কাজ। অর্থাৎ, মানবসম্পদের উপর এখন অতিরিক্ত চাপ। সেই চাপ কর্মচ্যুত হওয়ার। বাস্তব পরিস্থিতি কি সত্যিই এতটা ভয়াবহ এবং গুরুতর? তা জানতেই এবার বেনজির এক সমীক্ষার পথে হাঁটছে শ্রমমন্ত্রক। এর নাম দেওয়া হচ্ছে ‘পারসেপশন সার্ভে’। সমীক্ষা থেকে একটি সুনির্দিষ্ট ধারণায় পৌঁছতে তৎপরতা দেখাতে চাইছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। তবে কি এবার কাঠগড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাধের ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’? আপাতত এমন প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই চর্চা একেবারে তুঙ্গে।
জানা যাচ্ছে, পর্যায়ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সবক’টি মন্ত্রক এবং দপ্তরেই এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি পাঠানো শুরু করেছে শ্রমমন্ত্রক। ধাপে ধাপে দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা। সমীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হলেও সামনে আসবে প্রযুক্তির জন্য কর্মহীনতার বাস্তব চিত্র। এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। শ্রমমন্ত্রকের এহেন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে সম্প্রতি সমস্ত অধিকর্তার উদ্দেশে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কর্মচারী রাজ্য বিমা নিগম (ইএসআইসি)। স্পষ্টই জানানো হয়েছে যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার কীভাবে কাজের ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করছে, তা খতিয়ে দেখতেই এই সমীক্ষা। এক্ষেত্রে কোন ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে? তাও বিচার করে দেখা হবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন