স্বাস্থ্য ও জীবনবিমার প্রিমিয়ামে জিএসটি ছাড়ের সম্ভাবনা কতটা? - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

স্বাস্থ্য ও জীবনবিমার প্রিমিয়ামে জিএসটি ছাড়ের সম্ভাবনা কতটা?

 




মুম্বই:  স্বাস্থ্য ও জীবনবিমার প্রিমিয়ামের উপর থেকে জিএসটি কমানোর বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গাদকারি গত বছরের ২৮ জুলাই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে চিঠি লিখে এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি স্বাস্থ্য ও জীবনবিমার প্রিমিয়ামের উপর জিএসটি শূন্য করার দাবি জানিয়েছিলেন, যা বিরোধী দলগুলিও সমর্থন করে।

কয়েক মাস পর জানা যায়, জিএসটি কাউন্সিলে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত আসেনি। মনে করা হচ্ছে, স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে সাধারণ মানুষ যে সমস্যায় পড়েছেন, তার থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া যাবে না। বর্তমানে স্বাস্থ্য ও জীবনবিমার প্রিমিয়ামের উপর ১৮ শতাংশ হারে জিএসটি দিতে হয়। এই করের বোঝা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সম্ভাবনা কম। এখন জিএসটির হার ৫ শতাংশ নাকি ১২ শতাংশ করা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

মে অথবা জুন মাসে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নীতীন গাদকারির চিঠি লেখার প্রায় এক বছর পর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হতে পারে। রাজ্য এবং কেন্দ্র, কেউই জিএসটি থেকে পাওয়া রাজস্ব কমাতে রাজি নয়। যদিও বেশিরভাগ রাজ্য চায় স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার প্রিমিয়ামের উপর জিএসটির হার ৫ শতাংশ হোক, অর্থাৎ সর্বনিম্ন স্তর। অন্য অংশের দাবি, এই হার ১২ শতাংশ রাখা হোক এবং ইনপুট ট্যাক্সের সুবিধা দেওয়া হোক, যাতে সেই কর সরকার থেকে ফেরত পাওয়া যায়।

অন্যদিকে, বিরোধীরা এক্ষেত্রে জিএসটির হার শূন্য করার দাবি জানিয়েছে। কারণ স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার প্রিমিয়াম এবং সারেন্ডার ভ্যালু ক্রমশ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এর ফলে বিগত তিন বছরে এই দুই বিমা বন্ধ করার প্রবণতা বেড়েছে। জীবন বিমার সঙ্কট আগে থেকেই ছিল, তবে বিগত বছর থেকে স্বাস্থ্য বিমার পলিসির সংখ্যাও কমছে। মাঝপথে পলিসি বন্ধ করে দেওয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, কারণ প্রতি বছর স্বাস্থ্য বিমার প্রিমিয়াম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন