নয়াদিল্লি: কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের ঢেউ আছড়ে পড়ল সংসদে। বিজেপি তথা নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে এজেন্ডা ঠিক করে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিনেই সেই ভূতুড়ে ভোটার ইস্যুতে তোলপাড় হল সংসদ। আর এই ইস্যুতে তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়ে গেল সব বিরোধী দল।
দিল্লিতে ‘দোস্তি’ বজায় রেখে রাহুল গান্ধী পাশে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূলের। এমনকী নবীন পট্টনায়েকের বিজেডিও এ ব্যাপারে সরকারের বিরুদ্ধে সরব। আজ, মঙ্গলবার তারা রাজ্যসভায় মুলতুবি প্রস্তাবের নোটিস জমা দিচ্ছে। একইসঙ্গে আজ বিকালে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভুয়ো ভোটার তালিকা ইস্যুতে চাপ বাড়াতে যাচ্ছেন তৃণমূলের ১০ সাংসদের প্রতিনিধিদল।
এদিন রাহুল গান্ধী সংসদে জানিয়ে দিয়েছেন, ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড ইস্যুতে তাঁরা তৃণমূলের পাশেই আছেন এবং থাকবেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর বার্তা, ‘অন দিজ ইস্যু উই আর হান্ড্রেড পার্সেন্ট উইথ ইউ।’ তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায় এদিন লোকসভায় ভুয়ো ভোটার কার্ড ইস্যু তুলে সমালোচনার পারদ চড়ানোর পরেই সরব হন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। একই উত্তাপ ছিল রাজ্যসভাতেও। সরব হন মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
সোনিয়া গান্ধীকে পাশে রেখে তৃণমূলের ইস্যুকে সমর্থন করে বিরোধীদের দাবি মজবুত করেন। বলেন, ‘বিধানসভা ভোটের আগে কোথাও আচমকা ভোটার বেড়ে যাচ্ছে, কোথাও কমে যাচ্ছে। এখন সামনে এসেছে ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড। তাই এ ব্যাপারে সরকারকে সংসদে আলোচনা করতেই হবে।’ যদিও খাড়্গেকে ঠিক মতো বলতে দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ। তাঁর মাইক বন্ধ করে দেওয়ায় প্রতিবাদ করেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। কণ্ঠরোধের অভিযোগে রাজ্যসভা থেকে ‘ওয়াক আউট’ করেন বিরোধীরা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন