কলকাতা : বিধানসভা থেকে গত অধিবেশনে সাসপেন্ড হয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার বিধানসভায় যোগান দেওয়া ও হই হট্টগোল করার অভিযোগে বিজেপি দলের চিফ হুইপ সহ ছয় ও বিধায়ক মনোজ টিগ্গ সহ মার্শাল ডেকে অধিবেশন থেকে বার করে দিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি বিধায়ক দীপক বর্মনকেও সাসপেন্ড করেন অধ্যক্ষ। এই ঘটনার কথা তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন বিধানসভার গেটের বাহিরে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, 'বিধানসভার আমাদের শক্তি কম থাকলে ও আমাদের ভয় পাচ্ছে তৃণমূল। বিধানসভার আমাদের তোলা অভিযোগের উত্তর দিতে না পেরে ওরা আমাদের বিধায়কদের সঙে গুন্ডামি করছে। আমাদের ওরা যেভাবে প্রকাশ্যে প্রকাশ করছে, না হলে বের করে দিয়েছি। এখানে রাষ্টবাদী ও রাষ্ট্র বিরোধীদের লড়াই হচ্ছে। গতকাল মুর্শিদাবাদের নওদা ও উচুদিয়ার এস টি ক্লাবে ভারত জাগো জেতা নিয়ে আনন্দ অনুষ্ঠান করার সময় তৃণমূলের গুন্ডাগিরি হিংসা চালিয়েছে। রাজ্যে কেন এরকম ঘটনা ঘটছে বিধানসভার স্পিকারি তিনি কি খোঁজ আনেননি। বিরোধী দলনেতা ও চিফ হুইপকে রাজ্য থেকে অন্যায়ভাবে বার করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যপালকে রাজ্যের এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের কথা জানাবো। আগামী কাল বিধানসভার সামনে কলা ঝেঁকে ওই পর্যন্ত বসা দেব। বারুইপুরে মন্দির ভাঙ্গা ও হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বিরুদ্বে ১৯ মার্চ বিজেপির সমাবেশ করব।'
এদিকে সোমবার তৃণমূল কংগ্রেস যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে অধিকারী বলেন, 'আমি বিজেপিতে আছি। আসতে চেয়েছিলেন, এসেছিলেন। লম্বা তালিকা ছিল। সুনীল মণ্ডলও ছিল। বিরাট একটা লম্বা তালিকা ছিল। তাতে কি হয়েছে? মুখ্যমন্ত্রী, বিধায়ক আর কৃষ্ণকল্যাণী তো এক ওদিক রয়েছে। এই তহমালিককে বলুন না, আগামীকাল বিধানসভায় এসে বলতে, আমি তৃণমূলের এমএলএ। বলতে বলুন না, সাহস আছে? আমি জানি একমাস আগে থেকে। যে দিনকে সুনীল অনিল মন্ডল আমাদের ইনচার্জ গাইঘাটা পাঠিয়েছেন, যে কারা কারা জেলা সভাপতি হতে পারবেন তাদের পরিষ্কার ছিল বিধায়করা জেলা সভাপতি হবেন না। ও যেন বিধায়ক জেলা সভাপতি ছিল। ৪ যেন মেনে নিয়েছেন, উনি (তাপসী) মালেননি। উনি উপনির্বাচনে লুট করে জিতেছেন। তৃণমূলে যাওয়ার পরেও আলিপুরদুয়ার থেকে ৩০ হাজার ভোটে লিড পান মনোজ টিগ্গা। সময় ঘোর যাওয়ার পরে ও হাজার ভোটের লিড পান সৌমিত্র খাঁ। ৬ জন দল বদলুকে বিধায়ক পদ থেকে রিজাইন করিয়ে, সাংসদ পদ দিয়ে করিয়েছিলেন। ও জনকের লোক বিজেটে করেছে। পশ্চিমবঙ্গের জনগন সচেতন। এদিন বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে বিধানসভা থেকে রাজভবন পর্যন্ত মিছিল করেন শুভেন্দু অধিকারী।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন