ঢাকা: সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণদাসের পর বাংলাদেশে আরও এক হিন্দু নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। কপিলকৃষ্ণ মণ্ডল নামে ওই ব্যক্তি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বাংলাদেশ শাখার মহাসচিবের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া স্থানীয় অশ্বিনী সেবা আশ্রমের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। শনিবার ভোরে তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে বাগেরহাটের চিতলমারি থানার পুলিস। কপিলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার তথ্য রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিস। চিন্ময়ের বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়েছিল। পুলিস সূত্রে খবর, কপিলের বাড়ি চিতলমারি উপজেলার গঙ্গাচন্না গ্রামে। সেখানে বসেই তিনি দেশবিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। কপিলের ফোনে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন দেশি-বিদেশি নাগরিকের ফোন নম্বর, ছবি ও কথাবার্তার তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি পুলিসের।
অন্যদিকে, ২০১৯ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রকে পিটিয়ে মারার ঘটনায় অভিযুক্ত ২০ জন পড়ুয়ার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখল বাংলাদেশের হাইকোর্ট। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বা বুয়েট-এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র চিলেন আবরার ফাহাদ। আওয়ামি লিগ সরকারের বিরোধিতা করে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন তিনি। তার জন্য আবরারকে ছয় ঘণ্টা ধরে ক্রিকেট ব্যাট, উইকেট দিয়ে পেটানোর অভিযোগ ওঠে ২৫ জন ছাত্রের বিরুদ্ধে। ওই ছাত্ররা ছাত্র লিগের সদস্য ছিলেন। ২০২১ সালেই ওই ঘটনায় ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় নিম্ন আদালত। বাকি পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন