নন্দীগ্রাম: দোল পূর্ণিমা ও হোলির দিনে, ১৪ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের মুখ্য সচিব একটি নিষেধাজ্ঞা জারি করে। সেই আদেশে বলা হয়, 'বীরভূম জেলার সাঁইথিয়া থানার অধীনে অন্তত পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ইন্টারনেট ও ভয়েস ওভার ইন্টারনেট টেলিফোনি পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে, গুজব ও বেআইনি কার্যকলাপ রোধের উদ্দেশ্যে।' এই নিষেধাজ্ঞা ১৭ মার্চ সকাল ৮টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এই সিদ্ধান্তকে আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রতিফলন এবং প্রশাসনের অক্ষমতার স্বীকারোক্তি বলে উল্লেখ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, শুধু বীরভূম নয়, পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক, নন্দকুমারসহ রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। তিনি অভিযোগ করেছেন। যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার ঘটনাগুলি গোপন করার চেষ্টা করছে, যাতে প্রশাসনের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকে। শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে অনুরোধ করেছেন, যাতে তাঁরা মুখ্য সচিবের কাছ থেকে রাজ্যের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে একটি বিশদ রিপোর্ট চান। তাঁর মতে, মুখ্য সচিবের উচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও রাজ্যপালকে নিরপেক্ষ ও বাস্তবসম্মত তথ্য প্রদান করা, যাতে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয়। শুভেন্দু অধিকারীর এই প্রতিক্রিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে তাঁর উদ্বেগ ও অভিযোগ কতটা সত্য, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার নিরিখে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন যে উঠছে, তা অনস্বীকার্য।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন