বর্ধমান : সোমবার সন্ধ্যায় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্ত্রী ও প্রসূতি বিভাগের লেবার এক ওয়ার্ডে ইনজেকশন দেওয়ার পরেই একাধিক প্রসূতির শ্বাসকষ্ট ও কাঁপুনি শুরু হয় বলে অভিযোগ। এরমধ্যেই কোথায় ত্রুটি রয়েছে খুঁজতে তদন্ত কমিটি গড়া হয়েছে। একসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওষুধের নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ইনজেকশন দেওয়ার পরেই একাধিক প্রসূতির কাঁপুনি, কারও হাত-পা ঠান্ডা, সঙ্গে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট হচ্ছে বলে পরিবারের অভিযোগ। জানা গেছে, সোমবার বিকেলের দিকে ওই হাসপাতালের একজন নার্স বেশিরভাগ রোগীকেই ওটি করে ইনজেকশন দেন। এরপর থেকেই প্রসূতিদের মধ্যে এইসব উপসর্গ দেখা দেয়। ঘটনার পরেই রোগীর আত্মীয়দের ওয়ার্ড থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। খবর পেয়ে প্রসূতি বিভাগে ছুটে আসেন একাধিক ডাক্তার। ঘটনাকে ঘিরে উদ্বিগ্ন প্রসূতিদের পরিজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, ইনজেকশন দেওয়ার পরেই রোগীদের কাঁপুনি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পরিজনদের দাবি, কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখুক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের অধ্যক্ষ মৌসুমী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ইনজেকশন দেওয়ার পর কয়েকজনের চেস্ট ডিসকমফোর্ট হয়। অর্থাৎ শ্বাসকষ্ট ও বুকে চাপ লাগার উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। এখন সকলেরই অবস্থা স্থিতিশীল। তবুও সাবধানতাবশত সংশ্লিষ্ট ব্যাচ নাম্বারের ওষুধগুলোর ব্যবহার বন্ধ রেখে বিকল্প ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে ও এক্ষেত্রে ওষুধে কোনো ত্রুটি আছে কিনা জানতে ওষুধের নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে জানা হবে কী থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।’ তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক অনুমান, অ্যালার্জেটিক প্রতিক্রিয়ার থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। ছবি- এআই
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন