দুবাই: চলতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুরন্ত ছন্দে টিম ইন্ডিয়া। গ্রুপ লিগে যথাক্রমে বাংলাদেশ, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডকে সহজেই বশ মানিয়েছে রোহিত-ব্রিগেড। সেমি-ফাইনালে ভারতকে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে ব্যর্থ অস্ট্রেলিয়াও। রবিবার ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অবিসংবাদিত ফেভারিট বিরাট কোহলিরা। কিন্তু এই সাফল্যের আলোয় অনেক কিছু ঢাকা পড়ে গিয়েছে। যেমন, অধিনায়ক রোহিত শর্মার অফ ফর্ম। চারটি ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ মাত্র ১০৪ রান। সর্বাধিক ৪১ এসেছে দুর্বল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। বাকি তিনটি ম্যাচে শুরুটা ভালো করলেও উইকেটে বেশিক্ষণ থাকতে ব্যর্থ হিটম্যান। পাকিস্তান ম্যাচে তিনি ফেরেন পঞ্চম ওভারে। এই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল বাকি দু’টি ম্যাচেও।
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে রোহিত প্যাভিলিয়নে ফেরেন ষষ্ঠ ওভারে। সেমি-ফাইনালেও সেই একই চিত্র। ভারতীয় ইনিংসের অষ্টম ওভারেই কনোলির বলে আউট হন তিনি। কোচ গৌতম গম্ভীর অবশ্য ক্যাপ্টেনের এই পারফরম্যান্সে বিচলিত নন। বুক ঠুকে তিনি বলেছেন, ‘পরিসংখ্যান দিয়ে রোহিতকে মাপতে গেলে ভুল হবে। ওর আগ্রাসী ব্যাটিং বিপক্ষকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দিচ্ছে না।’
আর ঠিক এই প্রসঙ্গেই মুখ খুললেন কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর। তাঁর বক্তব্য, ‘রোহিতের মতো ব্যাটারের দায়িত্ব অনেক। প্রথম পাঁচ-ছয় ওভার চালিয়ে খেলে দর্শকদের বিনোদন দিলেই তা শেষ হয়ে যায় না। দুবাইয়ের পিচে বল পড়ে মন্থর হয়ে যায়। শট নেওয়া খুব সহজ নয়। তাই প্রথমেই ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলে আউট হলে সমালোচনাই স্বাভাবিক। রোহিতকে মনে রাখতে হবে, এই দলে ওর গুরুত্ব ঠিক কতখানি। ২৫-৩০ ওভার পর্যন্ত ও উইকেটে থাকলে বিপক্ষ ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না৷’
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন