নয়াদিল্লি: কর্মসংস্থানের বেহাল দশা। এই পরিস্থিতিতে তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কাজের সুযোগ তৈরির কথা জানিয়েছিল কেন্দ্র। এজন্য স্কিল ইন্ডিয়া প্রকল্পের ঘোষণাও হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এই প্রকল্পে গত কয়েক বছর ধরে বাজেট বরাদ্দ কখনও কমে গিয়েছে। আবার কখনও দেখা যাচ্ছে, বরাদ্দ অর্থ খরচই হয়নি। ২০২২-২৩ বা ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এমনই চিত্র ধরা পড়েছে। শুধু স্কিল ইন্ডিয়াই নয়, আরও কিছু প্রকল্পেরও একই দশা।
প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের নয়া দিশা দেওয়ার লক্ষ্যে স্কিল ইন্ডিয়া প্রকল্পে ২ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে করা হয় ২ হাজার ৩১৮ কোটি টাকা। কিন্তু তারপরও গত বছর পর্যন্ত খরচের পরিমাণ মাত্র ৮৯৫ কোটি টাকা। একই অবস্থা সংকল্প বা স্কিল অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস ফর লাইভলিহুড প্রোমোশন প্রকল্পেরও। এক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ হয়েছিল ৩৮০ কোটি টাকা। সংশোধিত বরাদ্দ কমে হয় ৩৫০ কোটি টাকা। ব্যয় হয়েছে ৯৯ কোটি টাকা। দেশের আইআইটিগুলির উন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহীত প্রকল্পে বাজেটে ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু গত বছর পর্যন্ত এর কোনও অর্থ খরচই হয়নি।
বিগতে ১০ বছর ধরে সবথেকে বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধির সমস্যা বেড়েছে। ২০২৪ সালের বাজেটে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য ঘোষণা করা হয়েছিল একঝাঁক নতুন প্রকল্প। লক্ষ্য ছিল কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণ, কোর্স এবং পরিকাঠামো নির্মাণ। বলা হয়েছিল আইআইটি, আইআইএম, জয়েন্ট এন্ট্রান্সের বাইরেও লক্ষ লক্ষ ছেলেমেয়েদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত করা হবে। অথচ সেই স্কিল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রকের কথায় ও কাজে পার্থক্য বিপুল। বরাদ্দ করা হয়েছিল সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা। অথচ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ১ হাজার ২৩১ কোটি টাকা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন