নিউ ইয়র্ক: ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা নিপীড়নের শিকার। বার্ষিক রিপোর্টে উদ্বেগ প্রকাশ করে এমনটাই জানিয়েছে আমেরিকার ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়ন ফ্রিডম কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)। মার্কিন ফেডেরাল সরকার গঠিত ওই কমিশনের বক্তব্য, শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হত্যার ষড়যন্ত্রে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র’ যুক্ত। তাই তাদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করুক মার্কিন প্রশাসন। তবে ওই রিপোর্ট খারিজ করে দিয়েছে ভারত। পাল্টা ওই সংগঠনের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল কড়া ভাষায় জানিয়েছেন, ভারত নিয়ে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট তথ্য পরিবেশন করা হচ্ছে। মার্কিন ওই সংগঠনের রিপোর্ট তারই অংশ। রণধীর মনে করিয়ে দিয়েছেন, গণতন্ত্র ও সহিষ্ণুতা নিয়ে ভারতকে কালিমালিপ্ত করার প্রয়াস কখনও সফল হবে না।
মঙ্গলবার ইউএসসিআইআরএফের রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে তারা জানিয়েছে, ২০২৪ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার ও বৈষম্য বেড়েছে। ফলে ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হয়েছে। রিপোর্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও নিশানা করেছে তারা। কমিশনের অভিযোগ, গত বছর লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও তাঁর দল বিজেপি সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে ঘৃণা ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে।
এসংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরে মার্কিন প্রশাসনকে ওই সংগঠনের সুপারিশ, ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব হওয়ায় উদ্বেগজনক দেশের তালিকায় ভারতকে যুক্ত করা হোক। সেই সঙ্গে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র’-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করুক আমেরিকা। উল্লেখ্য, মার্কিন বিদেশ দপ্তরও সম্প্রতিক সময়ে ভারতে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। যদিও সেই রিপোর্টকেও ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে নস্যাৎ করে দিয়েছে মোদি সরকার।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন