কোভিডকালের বকেয়া ৩ কিস্তি ডিএ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫

কোভিডকালের বকেয়া ৩ কিস্তি ডিএ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত





কলকাতা: সরকারি ঘোষণাটুকুই শুধু বাকি ছিল। এবার সেটাও হয়ে গেল। নরেন্দ্র মোদি সরকার পত্রপাঠ জানিয়ে দিল, ৪৯ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং ৬০ লক্ষের কাছাকাছি পেনশন প্রাপক কোভিডকালের বকেয়া তিন কিস্তি ডিএ ও ডিআর পাবেন না। লাল ফিতের ভাষায়, ফ্রিজ করে দেওয়া হল এই মহার্ঘভাতা। লকডাউনের কারণে রাজস্ব আদায় মুখ থুবড়ে পড়ার কারণেই বকেয়া থেকে গিয়েছিল ওই তিন কিস্তি ডিএ। 

বলা হয়েছিল, পরবর্তীকালে আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতি হলে তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। করোনা পর্ব মিটে গিয়েছে প্রায় চার বছর। মোদি সরকারের দাবি মতো, ঘুরে দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি। সংসদে দাঁড়িয়ে রেকর্ড রাজস্ব আদায়ের কৃতিত্ব নিতেও পিছপা হননি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। কিন্তু কর্মীদের কোভিডকালের বকেয়া ডিএ? আদৌ কি পাওয়ার কোনও আশা আছে? সম্প্রতি, লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে কেন্দ্রের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘এই বকেয়া মেটানোর আর কোনও প্রশ্ন নেই।’

গত ৩ ফেব্রুয়ারি সমাজবাদী পার্টির উত্তরপ্রদেশের সাংসদ আনন্দ ভাদোরিয়ার প্রশ্নের উত্তর দেন অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী। তিনি জানান, কোন কোন কিস্তির ডিএ ফ্রিজ করা হয়েছিল। সেখানেই ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ও ৭ জুলাইয়ের পাশাপাশি ২০২১ সালের ১ জানুয়ারির ডিএ ফ্রিজ করার কথা জানানো হয়। এই তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এই বকেয়া মেটানো হবে না। ফলে তাঁরা এই খাতে কত টাকা বা কত শতাংশ ডিএ পাবেন, সেই সংক্রান্ত কোনও উত্তর দেওয়ার প্রয়োজনই পড়ে না। 

কারণ হিসেবে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রীর যুক্তি চোখ কপালে তোলার জন্য যথেষ্ট। তাঁর উত্তর, ‘২০২০ সালে করোনার কারণে আর্থিক ক্ষতি এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্প খাতে ব্যয়ের জের বইতে হয়েছে ২০২০-২১ অর্থবর্ষের পরেও। ফলে, এরিয়ার হিসেবে বকেয়া ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়।’ এখানেই প্রশ্ন তুলছেন আর্থিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, কেন্দ্রের এই যুক্তি যথেষ্টই দুর্বল। কেন্দ্র চাইলে কর্মীদের এই বকেয়া সহজেই মিটিয়ে দিতে পারত। গত তিন বছরে একাধিকবার দেশের আর্থিক পরিস্থিতি বিশ্বের উন্নত দেশগুলির সঙ্গে তুলনা করে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চেয়েছে মোদি সরকার। তাহলে কি শুধু ৩০ হাজার কোটি টাকার জন্য বঞ্চিত হলেন কেন্দ্রীয় কর্মী ও পেনশন প্রাপকরা? এই প্রশ্নও তুলছে প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক মহল। এর জেরে কেন্দ্রের গঠিত অষ্টম পে কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন