কলকাতা: জাল ওষুধের বিক্রি রুখতে কড়া নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দফতরের। ওষুধের গায়ে থাকতে হবে কিউ আর কোডের স্ক্যান এবং ব্যাচ নম্বর। এই কিউ আর কোড স্ক্যান করে তবেই মানুষের কাছে বিক্রি করা যাবে। সেক্ষেত্রে ওষুধ যদি আলাদা হয়, ওষুধের গায়ে কিউ আর কোড স্ক্যান করলেই কুড নট ভেরিফাইড দেখাবে।
ইতিমধ্যেই ১৪৪ টি ওষুধ ফেল করছে ড্রাগ কন্ট্রোল সংস্থার কাছে। তার মাঝেই রক্তচাপের জন্য ব্যবহৃত ওষুধ টেলমা এএম ৪০- এর গুণগত মান নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। স্বাস্থ্য দপ্তর সহ সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এই ওষুধ নিয়ে চর্চা শুরু হয়। কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরে আসার পরই কড়া নজরদারি শুরু করে স্বাস্থ্য দপ্তর।
উচ্চ রক্তচাপ অর্থাৎ ব্লাড প্রেসারের জাল ওষুধগুলির ব্যাচ নম্বরের সঙ্গে মিল রয়েছে আসল ওষুধের ব্যাচ নম্বরের। তবে ওষুধের প্যাকেটের গায়ে যেখানে নাম লেখ থাকে সেখানে রয়েছে ওষুধের ভুল বানান। সমস্ত তথ্যের ভিত্তিতেই ইন্ডিয়ান ফার্মাকোপিয়ার তরফে জানানো হয় ওষুধটি গুণগত মান ফেল করেছে। এরপরই রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল অফ ডিরেক্টরেট কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে, সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল থেকে শুরু করে ওষুধের দোকান গুলিতে। এই নির্দেশিকায় জানানো হয়, প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে এই পরিচিত ওষুধ এলে, সবার প্রথমে তার কিউ আর কোড স্ক্যান করেই যেন সাধারণ মানুষকে দেওয়া হয়।
এছাড়াও ব্যাচ নম্বর এবং ওষুধের প্যাকেটে লেখা বানানও যাচাই করা হয়। এছাড়াও হোলসেলার এবং রিটেল চেইনকেও নির্দেশিকা জানানো হয়। যারা এই ওষুধগুলি সরাসরি মানুষকে বিক্রি করেন, তারা যেন সাপ্লাই চেইন থেকে এই নির্দিষ্ট ওষুধটির কিউ আর কোড স্ক্যান করে তবেই মানুষের কাছে বিক্রি করে। ওষুধ যদি জাল হয় সেক্ষেত্রে কিউ আর কোড স্ক্যান করলেই দুকুড নট ভেরিফাইড দেখাবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন