কালনা: পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা ১ ব্লকের কাঁকুড়িয়া পঞ্চায়েতের মানিকহার গ্রামের শেষ সামসুল জামাল পুসা কৃষি বিজ্ঞান মেলাতে ‘ ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ এর ‘ উদ্ভাবনী চাষি’র পুরস্কার পেলেন। এই মেলা হয় চলতি বছরের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি। সেখানে প্রত্যন্ত গ্রামের এই চাষির হাতে তুলে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় এই সংস্থার মানপত্র ও পুরস্কার। এই সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,শেষ সামসুল জামালকে উন্নত মানের কেঁচো সার আর ১০০% জৈব চাষ করে সফল হওয়ায় এই সম্মান দেওয়া হয়েছে।
গতানুগতিক চাষে বেশিরভাগ সময়ে লাভ না মেলার নতুন কিছু করার চেষ্টা করেন সামসুল। তিনি জানান, ‘আইআইটি বড়দপুর-সহ নানা জায়গায় কেঁচো সার তৈরি নিয়ে তিনি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। প্রায় বছর ২০ আগে থেকে বাড়িতে শুরু করেন কেঁচো সার তৈরি। সেইসময় থেকে রাসায়নিক মুক্ত জৈব পদ্ধতিতে নানা ধরনের আনাজ, ধানের চাষ শুরু করেন। তাঁর তৈরি কেঁচো সারে ফলন ভালো মেলায় অন্য চাষিদের কাছে তা প্রশংসিত হয়। এখন তিনি ১২-১৫ টাকা কেজি দরে কেঁচো সার বিক্রি করেন। পরিবারের দাবি, এলাকায় কেঁচো সারের চাহিদা রয়েছে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১২ টন। তাঁরা উৎপাদন করতে পারে দেড়-দু’টন। ২০১৬ সালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পান ‘কৃষক সম্মান’ পুরস্কার।
এবার পুরস্কার নিয়ে ফিরে সামসুল জানান ‘এবার রাজ্য থেকে এই পুরস্কার আমি একাই পেয়েছি। ভালো লাগছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন