নিজের জমিতে বাড়ি করে বসবাস করলেও রাতারাতি বদলে যেতে পারে জমির মালিকানা! - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫

নিজের জমিতে বাড়ি করে বসবাস করলেও রাতারাতি বদলে যেতে পারে জমির মালিকানা!

 


বারাসত: সরকারি দপ্তরে ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার কথা একাধিকবার বলেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কতটা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বারাসত ১ নম্বর বিএলএলআরও অফিসের ‘ঘুঘুর বাসা’ যে আজও সক্রিয়, তার প্রমাণ মিলল। দেখা গেল, জমির মালিকানার সমস্ত প্রমাণপত্র থাকা সত্ত্বেও এবং ৩৪ বছর ধরে সেই জমিতে বাড়ি করে বসবাসের পরও রাতারাতি মালিকানা হাতবদল হয়ে গিয়েছে। এই কাণ্ড জানার পর মাথায় হাত বারাসত পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বামুনমোড়ার গুহ পরিবারের সদস্যদের। বিষয়টি নিয়ে ব্লক ও জেলা ভূমিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন জমির মালিক। পরিবারের অভিযোগ, জমি মাফিয়াদের যোগসাজসেই এই কাণ্ড হয়েছে। 

জানা গিয়েছে, বারাসত পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বামুনমোড়া এলাকার বাসিন্দা রাখালপ্রসাদ গুহ। তিনি কলকাতা কর্পোরেশনের কর্মী ছিলেন। ১৯৮৬ সালে বামুনমোড়া এলাকায় তিনি দাগ নং-৭৯ ও খতিয়ান নং- ৪১৭/১-তে চার শতক জমি কেনেন। সেখানে বাড়িও তৈরি করেছেন। সরকারি নিয়ম মেনে বাড়ির ট্যাক্স, খাজনা দেন। কিন্তু  পরে খাজনা দিতে গিয়েই হতবাক হয়ে যান তাঁরা। খাজনা দিতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, যে জমিতে প্রায় তিন যুগ ধরে বসবাস করছেন, সেই জমির মালিক আর তাঁরা নয়। 

পরিবারের অভিযোগ, অন্যের নামে রেকর্ড পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি জানার পর জমির দলিল, পরচা, খাজনার রসিদ সহ অন্যান্য নথিপত্র নিয়ে ভূমিদপ্তরে যান রাখালবাবু। কীভাবে রেকর্ড পরিবর্তন হল, জানতে চান তিনি। তখন ভূমিদপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন, ১৫ দিনের মধ্যে ভুল সংশোধন হবে। নিশ্চিন্তেই ছিল গুহ পরিবার। কিন্তু তিনমাস কেটে গেলেও তা হয়নি। 

রাখালবাবুর পুত্রবধূ জয়শ্রী সাহা গুহ সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা একাধিকবার বিএলএলআরও অফিসের দ্বারস্থ হয়েছেন জমি ফেরাতে। তাতেও লাভ হয়নি কোনও। ভুক্তভোগীদের খেদ, সঠিক কাগজপত্র থাকলেও কোনও কাজ করাতে হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়। কিন্তু এজেন্ট ধরে গেলে অবৈধ কাজও হয়ে যায় চটজলদি। ভূমি দপ্তরের অফিসের এই অসাধু চক্র ভাঙার দাবি তুলেছেন তাঁরা।
 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন