কলকাতা: সোমবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। এদিন সকালে যাদবপুরের নদিনের মাথায় ক্যাম্পাসে এসেছিলেন যাদবপুরের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক তথা তৃণমূল প্রভাবিত অধ্যাপক সংগঠন ওয়েবকুপার সদস্য অধ্যাপক মিত্র। বিভাগে ঢোকার মুখেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পড়ুয়ারা। ওমপ্রকাশের ঘরের সামনে স্লোগানরত হাতে মাটিতে বসে পড়েন পড়ুয়ারা একাংশ। বিশৃঙ্খলা এড়াতে সকাল থেকেই কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ঘিরে ফেলা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। ওমপ্রকাশ ঢোকার আগে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আশেপাশে সাদা পোশাকে প্রচুর পুলিশকর্মী ছিলেন। গত শনিবার খোদ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছিলেন, তিনি শিক্ষাঙ্গনে পুলিশি নিরাপত্তা চান না। অথচ, ওমপ্রকাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার দিন বদলে যায় সেই চিত্র। যদিও ওমপ্রকাশ দাবি করেন, তিনি পুলিশ ডাকেননি। কর্তৃপক্ষও পুলিশ ডাকেননি বলে দাবি। তা হলে কে ডাকল পুলিশ, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। প্রায় চার ঘণ্টা পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর ছেড়ে বেরোন উর্দিধারী ও সাদা পোশাকের পুলিশকর্মীরা। তবে সোমবার সকালে কে বা কারা ক্যাম্পাসে পুলিশ ডেকেছিল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেননি। ছাত্র থেকে অধ্যাপক; সকলেই এক বাক্যে বলছেন, ২০১৪ সালের ‘হোক কলরব’-এর দীর্ঘ দশক পর এই প্রথম ক্যাম্পাসে পা পড়ল পুলিশের। শিক্ষাঙ্গনে কেন পুলিশি নিরাপত্তা প্রয়োজন হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন পড়ুয়ারা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন