গুয়াহাটি: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিন ম্যাচে নিয়েছিলেন ৯ উইকেট। রোহিত শর্মার হাতে কাপ ওঠার নেপথ্যে বড় ভূমিকা ছিল বরুণ চক্রবর্তীর। আইপিএলেও তাঁকে সেই ছন্দেই দেখার আশায় ছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্স ভক্তরা। কিন্তু শনিবার ইডেনে উদ্বোধনী ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে অত্যন্ত সাদামাটা বোলিং করেন তিনি। চার ওভারে দেন ৪৩ রান। ফিল সল্ট, বিরাট কোহলিদের ধুমধাড়াক্কার সামনে অসহায় দেখায় মিস্ট্রি স্পিনারকে। আর সেটাই এখন নাইট শিবিরের বড় চিন্তার কারণ। বুধবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে নামার আগে বরুণের ফর্ম নিয়ে থাকছে উদ্বেগ।
অবশ্য, সুনীল নারিনকেও বল হাতে তীক্ষ্ণ মনে হয়নি আরসিবি’র বিরুদ্ধে। গত মরশুমে কলকাতার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নেপথ্যে এই স্পিন জুটির অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এবারও খেতাব ধরে রাখার লক্ষ্যে নারিন-বরুণের দিকেই তাকিয়ে ভক্তরা। কিন্তু, কোহলিদের বিরুদ্ধে হতাশ করেছে এই জুটি। ব্যর্থতা ভুলে রাজস্থান ম্যাচে তাঁদের ফর্মে ফেরার জন্য চলছে প্রার্থনা। পাশাপাশি, ওপেনিংয়ে কুইন্টন ডি’কক আর মিডল অর্ডারে রিঙ্কু সিং, আন্দ্রে রাসেলদের ব্যাটে ঝড়ের চাহিদাও থাকছে।
স্বস্তিতে নেই কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের রাজস্থান। কলকাতার মতো তারাও হেরেছে প্রথম ম্যাচে। উপ্পলে বোলাররা ২৮৬ রান উপহার দেন হায়দরাবাদকে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা জোফ্রা আর্চারের। তিনি চার ওভারে ৭৬ রান দিয়ে লজ্জার রেকর্ড গড়েন। ফজলহক ফারুকি, মহেশ থিকশানা, সন্দীপ শর্মারাও ভরসা জোগাতে ব্যর্থ। ব্যাট হাতে যশস্বী জয়সওয়াল রান পাননি শুরুতে। প্রথম তিন ম্যাচের অধিনায়ক রিয়ান পরাগও চরম হতাশ করেছেন সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে। সঞ্জু স্যামসন, ধ্রুব জুরেল, শিমরন হেটমায়ারদের মরিয়া চেষ্টা সত্ত্বেও তাই জয় আসেনি।
জয়পুরের পরিবর্তে প্রথম দু’টি হোম ম্যাচ গুয়াহাটিতে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রয়্যালসরা। অসমেরই ক্রিকেটার রিয়ান নেতৃত্ব দেবেন বলে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ যথেষ্ট। সেজন্যই সানরাইজার্সের কাছে হেরেও সোমবার বিমানবন্দরে বীরের অভ্যর্থনা মজুত থাকল স্যামসনদের জন্য। বুধবার নিশ্চিতভাবেই জনসমর্থন বিপক্ষে থাকবে অজিঙ্কা রাহানেদের।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন