কলকাতা: বক্তব্যের তিন তলার ফ্ল্যাটে। অভিযোগ, শনিবার দুপুরে আচমকাই ১৫ বছরের কন্যাকে ফ্ল্যাটের বারান্দা থেকে ঠেলে ফেলে দেন। ঘটনা নজরে আসতেই প্রতিবেশীরা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন সে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রতিবেশী সংযুক্ত চক্রবর্তী অভিযুক্ত চিয়ার নামে যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের অনুমান, কন্যাকে খুন করতেই অভিযুক্ত তিন তলার বারান্দা থেকে ধাক্কা মেরেছিলেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় সংহিতার ৩০৭ নম্বর ধারায় অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত করছে পুলিশ। খুনের চেষ্টার অভিযোগে চিয়াকে গ্রেফতার করেছেন তদন্তকারীরা।
কেন কন্যাকে বারান্দা থেকে ঠেলে ফেলেন চিয়া, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। প্রতিবেশী এবং নাবালিকার পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। নাবালিকার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তার বয়ান এখনও নথিভুক্ত করা যায়নি। সেই বয়ান পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। সেই সঙ্গে অভিযুক্তকে জেরা করেও কারণ জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
নিজস্ব প্রতিবেদন: তিন তলার ফ্ল্যাটের বারান্দা থেকে ১৫ বছর বয়সী কন্যাকে ধাক্কা দিয়ে নীচে ফেললেন বাবা! গুরুতর আহত ওই নাবালিকা। প্রতিবেশীদের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, যাদবপুরের আনন্দগড়ের বাসিন্দা চিয়া গোপ। পরিবার নিয়ে থাকেন এলাকারই এক ভাড়াবাড়িতে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন