‘লড়াই হবে একসঙ্গে’, মমতা-সহ ৭ মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন স্ট্যালিন! - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫

‘লড়াই হবে একসঙ্গে’, মমতা-সহ ৭ মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন স্ট্যালিন!

 



চেন্নাই: ভারতীয় জনতা পার্টি বিরোধী রাজ্যগুলিতে নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে আসন পুনর্বিন্যাসের নামে লোকসভায় বিরোধী সংসদ কমানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে ভাজপা। দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার জন্য ভাব্জপার এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমাদের এক জোট হয়ে লড়াই করতে হবে। এমন দাবি জানিয়ে এবারে মমতা-সহ দেশের ৭ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একজোট হওয়ার আবেদন জনালেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন।

তিনি অভিযোগ করেছেন যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন নিশ্চিতকারী রাজ্যগুলোকে সংসদে তাদের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আজ ৭ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও বেশ কয়েকজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেও এই আন্দোলনে যৌথ অ্যাকশন কমিটি গঠনের আর্জি জানিয়েছেন। ভারতীয় জনতা পার্টির বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ আনিয়ে সকলকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, আসন্ন আসন পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের মতো রাজ্য, যারা দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে, চিরস্থায়ীভাবে তাদের অধিকার খর্ব করে দিতে পারে।

ভাজপা নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় লেখা মুখ্যমন্ত্রীদের উদ্দেশে ওই চিঠিতে অসংখ্য অভিযোগ তুলে ধরেছেন তামিল মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্র বিরোধী লড়াইয়ে যৌথ অ্যাকশন কমিটি গঠনের ডাক দিয়ে তামিলনাড়ু সহ কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথা বলেছেন। যে রাজ্যগুলি সফলভাবে জন্মহার নিয়ন্ত্রণ করেছে, তাদের বিরুদ্ধেই লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাসকে হাতিয়ার করা হচ্ছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর আশঙ্কা যদি আসন পুনর্বিন্যাস করা হয় তাহলে যে রাজ্য অত্যন্ত সুচারুভাবে জন্মহার নিয়ন্ত্রণ করেছিল তাদেরই খাঁড়ার মুখে পড়তে হবে। যে সভায় জাতীয় নীতি রূপায়ণ এবং আইন তৈরি হয়, সেখানে প্রতিনিধিত্ব কমে যাবে। তিনি এ বিষয়ে দুটি পদ্ধতির দৃষ্টান্ত দিয়েছেন তিনি। প্রথমত, চলতি ৫৪৩ লোকসভা আসনের মধ্যেই জনসংখ্যার বিভাজন। অথবা দেশের নিম্নকক্ষের আসন সংখ্যা ৮০০ বা তার বেশি করে দেওয়া। এই দুই ক্ষেত্রেই সফলভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা রাজ্যগুলির আসন কমে যাবে। চিঠিতে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী আরও লিখেছেন, আমি এখন আপনাদের কাছে দুটি নির্দিষ্ট অনুরোধ রাখতে চাই। আপনারা আনুষ্ঠানিকভাবে যৌথ অ্যাকশন কমিটিতে যোগ দিন এবং একজন প্রবীণ নেতাকে এই কমিটিতে পাঠিয়ে ঐক্যবদ্ধ কৌশল গ্রহণে হাত বাড়িয়ে দিন।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন