বাঁকুড়া: রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সোনামুখীতে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হয়েছে গ্রিন সিটি মিশন প্রকল্প। যেখানে সোনামুখী শহরের ১৫টি ওয়ার্ডের প্রত্যেকটি রাস্তায় Street Light লাগানো হবে। যে কারণে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একটি সংস্থার হাতে এই কাজের দায়িত্বভার তুলে দেওয়া হয়। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়েই ব্যাপক দুর্নীতি সামনে আসে। অভিযোগ Street Light এর স্টীলের পোলগুলি যেখানে ১০০ কেজি হওয়ার কথা রয়েছে সেখানে ওজন করে দেখা যাচ্ছে এই পোলগুলির ওজন কোনটা ৭০ কিলো কোনটা ৭৫ কিলো। যে পরিমাণে গাঁথতে ফাউন্ডেশন করে এই পোলগুলি লাগানোর কথা, সেখানেও ব্যাপক গরমিল
লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যে কারণেই বেশ কিছু শাসক দলের কাউন্সিলর এবং পৌরসভার বিরোধী দলনেতা এবং পৌরসভার সাধারণ মানুষ এই কাজ আটকে দেন। তাঁদের দাবি, অ্যাসিস্ট্যান্ট অনুযায়ী কাজ করুক সংস্থা। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকে একটি চিঠি করেন ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিরোধী কাউন্সিলর মাসখানেক আগে সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক দিবাাকর ঘরামি একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এই কাজে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে একটি পোস্ট করেছিলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠায়। বৃহস্পতিবার যখন এই কাজ বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে ঠিক তখনই গরমিলের অভিযোগ তুলে সরব কাউন্সিলররা। আটকে দেওয়া হয় কাজ। এই কাজে ব্যাপক গরমিল হচ্ছে একথা স্বীকার করে নেন সোনামুখী পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখার্জি। তাঁর দাবি, এই দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে। এই বিষয়টি নিয়ে বরাতো পাগলা এজেন্সির কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। এই নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন সোনামুখী বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক দিবাাকর ঘরামি। তিনি বলেন, ‘এখানে দুর্নীতি হচ্ছে আমি আগেই ফেসবুকে পোস্ট করে বলেছিলাম। তৃণমূল কংগ্রেস মানেই দুর্নীতি। তাই সোনামুখীর মানুষকে বলব যেখানে তৃণমূলের দুর্নীতি দেখবেন সেখানেই প্রতিবাদ করুন।’

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন