স্ত্রী-মেয়েকে কীভাবে হত্যা? ট্যাংরার ঘটনার পুনর্নির্মাণে প্রসুন - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫

স্ত্রী-মেয়েকে কীভাবে হত্যা? ট্যাংরার ঘটনার পুনর্নির্মাণে প্রসুন


 


কলকাতা: ট্যাংরা কাণ্ডে প্রসুন দে-কে গ্রেফতার করার পরই পুলিশ জানিয়েছিল যে, তাঁকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হবে। এই পরিকল্পনা মতো বুধবার দুপুরে প্রসুনকে ফের ট্যাংরার সেই ‘অভিষঙ্গ’ বাড়িতে নিয়ে যায় পুলিশ। ইতিমধ্যে তিনি জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই প্রেক্ষিতে কাকে, কোথায় আর কখন খুন করলেন প্রসুন, সেটাই বুঝতে চাইছেন তদন্তকারীরা। প্রসুন ইতিমধ্য়েই পুলিশকে জানিয়েছেন, স্ত্রী রোমি তাঁর মেয়ের পা চেপে ধরেছিলেন এবং তিনি তাঁর মুখে বালিশ চেপে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। তারপর একে একে রোমি এবং বডি সুদেষ্ণা দে-কেও তিনি খুন করেছিলেন। যদিও দাদা প্রণয়কে তাঁর মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার ভাবনা রয়েছে পুলিশের। প্রসুন আদতে কতটা সত্যি বলছেন বা বলছেন না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাইছে পুলিশ।

এই প্রসঙ্গে বলে রাখা শ্রেয়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে ইএম বাইপাসে অভিঞ্জা মোড়ের কাছে দুর্ঘটনায় জখম হয় প্রণয়, প্রসুন ও প্রনয়ের ছেলে প্রদীপ। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপরই সামনে আসে অতুল সুরের রোডের দে পরিবারের মারাত্মক ঘটনা। এর আগে আহত নাবালকও শিশু সুরক্ষা কমিশনের কাছে দাবি করেছিল যে, কাকা ই খুন করতে চেয়েছিল। সে মারার ভান করে পড়েছিল। বড় ভাই প্রণয়ও আগে পুলিশকে জানিয়েছিলে, হাত কাটার ভাবনা তাঁর ছিল। তিনি নিজে ভয়ে কাটতে পারেননি। অনুমান, ঘটনার পুনর্নির্মাণ থেকে আসল বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে।

আদালতে প্রসুন জানান, তিনি কোনও আইনজীবী চান না। আইনি প্রক্রিয়ায় কার্যত মৃত্যুবরণ করতে প্রস্তুত তিনি।

আদালতে প্রসুনকে হাজির করানো হলে বিচারক লক্ষ্য করেন তাঁর সঙ্গে কোনও আইনজীবী নেই। রাজ্যের আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়, প্রসুন কোনও আইনজীবী রাখতে চান না। বিচারক নিজে তাঁর থেকে এই বিষয়ে জানতে চাইলে প্রসুন স্পষ্ট করে ঘাড় নাড়িয়ে বুঝিয়ে দেন, তিনি চান না তাঁর হয়ে কোনও আইনজীবী লড়ুন। এদিকে তাঁর দাদা এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি ছাড়া পেলে তাঁকেও গ্রেফতার করবে পুলিশ। তারপরই চূড়ান্তভাবে ট্যাংরা কাণ্ডের আসল ঘটনা প্রকাশ পেয়ে যাবে বলেই আশা। ছাড়া পাওয়ার পর প্রসুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার শিয়ালদা আদালতে পেশ করে বিচারক তাঁর ২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন