মধুর প্রতিশোধ। অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেই ওডিআই বিশ্বকাপ ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল টিম ইন্ডিয়ার। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে পেতেই জ্বালা জুড়িয়ে নিলেন কোহলিরা। অনবদ্য চেজ মাস্টার দেখালেন মাস্টারক্লাস ইনিংস। দুবাইয়ে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৪১ ওভার ও ৪ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৬৯ রান করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে খেলতে নেমে ৪৬ ওভার এক বল খেলেই ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত। তাতে ৬ উইকেটে টুর্নামেন্ট অপরাজিত থেকে ফাইনালে পৌঁছে গেল টিম ইন্ডিয়া। সহজ জয়ের সোপান অবশ্যই বিরাট কোহলি। পাকিস্তানের পর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একশো করার সুযোগ ছিল। কিন্তু ৪৯ বলে ৯৪ রান করে আউট হলেন। দুবাইয়ে যোগ্যতা নির্ণয়ে কার্ণো মোটা সহজ ছিল না। কিন্তু বিরাট থাকলে দুঃসাধ্য কিছুই নয়।
অস্ট্রেলিয়া ২৬৯ রান তাড়া করতে নেমে ভারতে যে বিপদে পড়েছিলো, তা নয়। ৭.৫ ওভারে ৪৯ রানের মধ্যে শিখর ধাওয়ান দুই ও রোহিত শর্মা ১৫ রানে নামা কোহলি অস্ট্রেলিয়ার রানটা এমনভাবে তাড়া করার পথ করে বের করলেন যে বদ্দরে নোঙর করান ৯২ রানে অপরাজিত থাকা রাহূল। অপেক্ষা না বাড়িয়ে ছক্কা হাঁকিয়েই ম্যাচ জেতান। অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ভারতের মতেই শুরুতে বিপদে পড়েছিলো। ৮২ ওভারে ৫৪ রানের মধ্যে ফিরে যান দুই ওপনার কুনলি ও হেও। অস্ট্রেলিয়া তারপর এগিয়েছে স্মিথ ও আল্যান্ড কারির ব্যাটে। তৃতীয় উইকেটে মানস লাবুশেনের সঙ্গে ৫৫, চতুর্থ উইকেটে জশ ইউলিসের সঙ্গে ৬৪ ও পঞ্চম উইকেটে কারির সঙ্গে ৪৪ রানের জুটি গড়েন স্মিথ। শেষে ওভারে ব্যাটিংও হন।
রানে শতরান ফুল ঝুলি বোঝাতে হন স্মিথ। ওই ওভারে স্মিথের ছিল ১১১ উইকেটে ১৯৯। অত্যাধিক তিন স্পোরম্যান সুযোগ ওয়ান ছিল। কিন্তু পরের ওভারে ওয়ানও ম্যাক্সওয়েলকে (৫ বলে ৭) অফসর প্যাটেল বোল্ড করার পর শুরু হয় কারির লড়াই। দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি পুরো ৫০ ওভার খেলার চ্যালেঞ্জ নিতে হয় অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটসম্যানকে। কিন্তু কারি তা পারেননি। ৪৭.১ ওভারে ৫৯ বলে ৪৭ রানের ইনিংসটি শেষ হয় শ্রেয়স আইয়ারের সরাসরি থ্রো হোয় রানআউট হয়ে। ৪ ওভারে স্মিথের পরবর্তী ৪ ওভারে স্মিথের হারিয়ে ১১ রান তুলতে পেরেছিলো অস্ট্রেলিয়া। ৬ উইকেট নেন জাদেজা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন