কলকাতা: রাজ্য পুলিস ড্রোন উড়িয়ে নারী সুরক্ষায় নজরদারি চালাতে চায়। তাই ড্রোন কিনতে চেয়ে পুলিস ডিরেক্টরেটের তরফে নবান্নের কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় একটি করে ড্রোন পাঠানো হবে। এই সংখ্যা অবশ্য বাড়বে পরে।
বিভিন্ন জেলার শপিং মলে প্রতি সন্ধ্যায় জনতার ভিড় জমছে। তাঁদের বেশিরভাগই মহিলা। এর বিপরীতে বিদ্যমান বাইক বাহিনীর দাপট। তারা অনেক সময় মহিলাদের উত্ত্যক্ত করে। পুজো এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানেও বাড়ছে ভিড়ের বহর। সেই মওকায় সক্রিয় হয় দুষ্কৃতীরা। তারা চুরি ছিনতাইয়ে ওস্তাদ। সর্বত্র সমানভাবে নজরদারি আর শুধু পুলিস দিয়ে সম্ভব নয়। এই কারণেই হাইটেক নজরদারির সিদ্ধান্ত রাজ্য পুলিসের। বিশেষ করে নিশ্ছিদ্র করা হবে একইসঙ্গে নারীসুরক্ষা। স্বয়ংক্রিয় উড়ান বা ড্রোন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এজন্যই।
রাজ্য পুলিস সূত্রের খবর, কমিশনারেট এলাকায় ড্রোন থাকলেও বেশিরভাগ জেলায় তা নেই। হাতেগোনা ড্রোন দিয়ে এই কাজ আর সম্ভব নয়। তাই ৪০টি ড্রোন কেনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাজ্যে কমিশনারেট এবং এসপিদের অধীন জেলাগুলি মিলিয়ে দরকার মোট ৩৮টি। সমস্ত জেলায় একটি করে ড্রোন পাঠানো হবে। জেলার যে সমস্ত থানায় একাধিক শপিং মল, বাজার প্রভৃতি রয়েছে সেখানকার থানাগুলিকে এই ড্রোন ব্যবহার করতে দেওয়া হবে পর্যায়ক্রমে। অর্থাৎ কোনও চাহিদা অনুসারে কোনও থানা সাতদিন, আবার কোনও থানা দশদিন তা ব্যবহার করতে পারবে। এক একটি ড্রোন কিনতে খরচ পড়বে পাঁচ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে রাজ্য পুলিসের টাকা দরকার ২ কোটি। কিন্তু এই অর্থ তাদের তহবিলে নেই। এই কারণে বিষয়গুলির উল্লেখসহ নবান্নের কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে। অর্থ মঞ্জুর হয়ে গেলেই টেন্ডার ডেকে ড্রোন কিনবে পুলিস। -ফাইল চিত্র
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন