ওয়াশিংটন: উৎক্ষেপণের পর পরাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধ্বসে হয়ে গেল এলন মাস্কের স্পেস স্টারশিপ। লাইভ স্টিমিং চলাকালীন দেখা যায় উৎক্ষেপণ হতে না হতেই ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় মহাকাশযানের। ওই অবস্থায় বাহামাসের উপর নিয়ন্ত্রণে ফিরোতো ফিরোতো হয়ে যায় মহাকাশযানটি। ফলে মাত্র ২ মাসের ব্যবধানে আবারও ব্যর্থ হল মাস্কের স্টারশিপ।
জানা গিয়েছে, এটি ছিল স্পেসএক্সের অষ্টম উৎক্ষেপণ। গতবারের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার ভালভাবেই সারা হয়েছিল প্রস্ততি। পুরো উৎক্ষেপণের লাইভ স্টিমিং দেশ ছিল বিশ্ব। ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের রকেট টেক্সাস থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় সূর্যোদয়ের কিছু আগে। মাটি ছেড়ে শুন্যে ওঠার পর প্রথম পর্যায়ে বুস্টারটি বিচ্ছিন্ন হয়ে লক্ষপাটে ফিরে আসে।
সেটিকে সফলভাবে ধরতেও নেয় ‘মেকানিক্যাল আর্ম’। মহাকাশে সাটেলাইট ছেড়ে আবারও ফিরে আসার কথা ছিল রকেটটির। তবে সে সতের আগেই মহাকাশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধ্বসে হয়ে যায় স্পেস এক্স। জানা যাচ্ছে, মাটি থেকে ১৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় মহাকাশে পৌঁছনোর পর ঘটে এই দুর্ঘটনা। সেই ফলসকোমোশে নিভে পড়ার ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। তবে রকেট উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হলেও তৃতীয়বারের মতো ‘কস্টার ক্লাব’ সম্পন্ন করে স্পেস এক্স। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে প্রথমবার এই
সাফল্য পেয়েছিল এলন মাস্কের সংস্থা।
নিয়ম অনুযায়ী, উৎক্ষেপণের পর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলেই রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বুস্টারটি। এতদিন এই বুস্টার সমুদ্রে অবতরণ করানো হত। অ্যারোকম্পানি ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতার স্পেসএক্স বুস্টার কাচের প্রযুক্তি আবিষ্কার করে। লক্ষের সময় সেই হাজলেই রকেটটাকে ধরে রাখা হয়, সেই হাজলেই নীচে নামতে থাকা বুস্টারকে নিখুঁত ভাবে ক্যাচ করে।
স্পেসএক্সের এই প্রযুক্তি আসার পরই লক্ষাপাটে বুস্টার ধরা হচ্ছে অক্ষত ভাবে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে টেক্সাসের বোকা টিকা উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে সপ্তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট স্টারশিপ রকেট শুন্যে পাঠিয়েছিল স্পেসএক্স। সেই রকেট লঞ্চ করার পর ব্যবহৃত বুস্টারটি ফের লক্ষপাটে ফিরে আসে। তবে সেবারও মহাকাশের দিকে ছুটে যাওয়া রকেট ধ্বসে হয়ে যায়।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন