বিরোধীদের কণ্ঠরোধের অভিযোগ, উত্তাল বিধানসভা, সাসপেন্ড বিধায়ক - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫

বিরোধীদের কণ্ঠরোধের অভিযোগ, উত্তাল বিধানসভা, সাসপেন্ড বিধায়ক

 


কলকাতা: বিরোধীদের কণ্ঠরোধের অভিযোগে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হল বিধানসভার অধিবেশন। অশালীন আচরণের অভিযোগে ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অধ্যক্ষের নির্দেশে বিরোধী পক্ষের মুখ্য সচেতক শংকর ঘোষ এবং মনোজ ওঁরাওকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। যার প্রতিবাদে প্রধান বিরোধী দলের সদস্যরা বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করে বাইরে বেরিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এর আগেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সাসপেন্ড করেছিলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে এ দিন অধিবেশন কক্ষে ছিলেন না বিরোধী দলনেতা। বিধানসভায় সরকার পক্ষের মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষ, দীপক বর্মনকে বিধানসভার কার্যবিধি অনুসারে ৪০ দিন বা এই অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য সাসপেন্ড করার প্রস্তাব করেন। অধ্যক্ষ ওই প্রস্তাব গ্রহণ করেন।

সোমবার ছিল রাজ্যে বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন। সেদিনের বিজেপির ধারাবাহিক প্রতিবাদের মধ্যে অশালীন আচরণের অভিযোগে ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অধ্যক্ষের নির্দেশে বিরোধী পক্ষের মুখ্য সচেতক শংকর ঘোষ এবং মনোজ ওঁরাওকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। যার প্রতিবাদে প্রধান বিরোধী দলের সদস্যরা বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করে বাইরে বেরিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এর আগেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সাসপেন্ড করেছিলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে এ দিন অধিবেশন কক্ষে ছিলেন না বিরোধী দলনেতা। বিধানসভায় সরকার পক্ষের মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষ, দীপক বর্মনকে বিধানসভার কার্যবিধি অনুসারে ৪০ দিন বা এই অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য সাসপেন্ড করার প্রস্তাব করেন। অধ্যক্ষ ওই প্রস্তাব গ্রহণ করেন।

 সোমবার ছিল রাজ্যে বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন। সেইদিনই বিজেপির ধারাবাহিক প্রতিবাদের মধ্যে অশালীন আচরণের অভিযোগে ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অধ্যক্ষের নির্দেশে বিরোধী পক্ষের মুখ্য সচেতক এবং মুখ সচেতককে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, "বিধানসভার গণ্ডীর ভেতরে প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে তিনটি পর্যন্ত ধ্বনী দেওয়া হবে"। পাশাপাশি, অধ্যক্ষের সভাপতিত্বে আচরণ এবং কণ্ঠ রোধের চেষ্টার প্রতিবাদে ১১ জন বিরোধী বিধায়কের পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান। তিনি বলেন, বিরোধী দলনেতা ও মুখ্য সচেতককে কাজে পরিকল্পিত দলের বঙ্গাদের নামিয়ে তালিকা দেওয়া দেওয়া সম্ভব নয়। তবে বাকি বিধায়করা মঙ্গলবার রাজ্যর বিভিন্ন জায়গায় মন্দিরে আক্রমণ, হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতির দাবি জানাবে এবং মুলতুবি প্রস্তাব আনবে। 

এরপর পরশুদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা ও বিরোধী দলনেতা-সহ বিজেপি বিধায়কদের সাসপেন্ড করার প্রতিবাদে মুলতুবি প্রস্তাব আনবে। সোমবার বিধানসভায় বাজেট নিয়ে আলোচনা চলছিল। তা নিয়ে স্বড়ম্বূপের বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সেই সময় ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সার্ভিস কমিশন থেকে হিরণ পিএসসি সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনের টাকা কোথায় যাচ্ছে? সেই প্রশ্ন তোলেন বিজেপি বিধায়ক। তাতে স্পীকার আপত্তি তোলেন। স্পীকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে হিরণের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। স্পীকার তাঁকে অভিযোগ জানান, স্পীকার তাঁকে মাঝপথে থামিয়ে দিচ্ছেন।

 হিরণের পাশে দাঁড়িয়ে লাগাতার শ্লোগান দিতে থাকেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ, ফালাকাটার দীপক বর্মন, কুমারগ্রামের মনোজ ওঁরাওরা। প্রবল হইহট্টগোলের শুরু হয়। স্পীকার বারবার তাঁদের থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। উল্টে দীপক বর্মন স্পীকারকে লক্ষ্য করে কাগজ ছোঁড়েন বলে অভিযোগ। এরপরই স্পীকার মার্শাল ডেকে বিধায়কদের বের করে দেওয়ার কথা বলেন। আর কাগজ ছোঁড়েন। বাকি দুই বিধায়ক শংকর ঘোষ ও মনোজ ওঁরাওকে মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। যা বলে খবর। অধিবেশন ওয়াকআউট করে বেরিয়ে যান বিজেপি বিধায়করা। এরপর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, দলীয় বিধায়কদের নিয়ে রাজভবনে যাবেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন