গাড়িতে পুরী যেতে চান? চলুন তাহলে কোলাঘাট টু পুরী - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫

গাড়িতে পুরী যেতে চান? চলুন তাহলে কোলাঘাট টু পুরী

 




এর আগে আমার দীঘা কয়েকবার যাওয়া হয়েছে। তবে পুরী এই প্রথম। এর আগে আমার দীঘা কয়েকবার যাওয়া হয়েছে। তবে পুরী এই প্রথম। কলকাতা থেকে ৪৯১ কিলোমিটার ড্রাইভে যেতে মোটামুটি ১২ ঘণ্টা লাগে। নভেম্বরের একটি সকালে আমরা রওনা দিলাম। ডিসেম্বরের শীত শীত ভাবটা বেশ জাঁকিয়ে বসেছে। তাই হাইওয়ে ধরে স্পিডে গাড়ি ছোটানোর মজাই আলাদা। একদিকে দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ মাঠ, অন্যদিকে রুক্ষ কাঁকুড়ে জমি। সব মিলিয়ে চোখ জুড়িয়ে যায়। ব্রেকফাস্টের জন্য আমরা ডানকুনিতে দাঁড়াই। এখানকার ‘হোটেল অপ্পায়ন প্যালেসে’ লুচি, আলুর দম চেখে নিলাম। তারপর আবার গাড়িতে স্টার্ট।

পরীক্ষা হয়ে যাক, আড়াইশো গেছি, পাঁচশো কতক্ষণে পার করতে পারবো।

কলকাতা ছেড়েছিলাম ভোর পৌনে চারটেয়। প্রথম টি-ব্রেক নিলাম কোলাঘাটের পেরিয়ে, এরপর একটা টোল গেট। গেট পেরিয়ে মানুষজন রাস্তা ধরে এগিয়ে চললাম। খড়গপুর শহরের ভেতরের পথ ছেড়ে সোজা পশ্চিম বঙ্গে ঢোকার পথ। ছেড়ে এগিয়ে চলল আলো। আস্তে আস্তে পেরিয়ে গেলাম বালাসোর, শুরু হল ওড়িশার গাড়ি গড়ানো।

পুরী -তরকারি দিয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে নিয়েছি। সঙ্গে রাস্তার পাশের দোকান থেকে নিলাম ছাতু। ছাতু আর এরপর অনেক টোল গেট। ভুবনেশ্বর পেরিয়ে মাঝে একটা পেট্রোল পাম্প থেকে গাড়িতে তেল ভরে মোটামুটি সাড়ে দশটায় পুরী পৌঁছে গেলাম। সোজা সমুদ্রের তলা অবধি রাস্তা। যদিও পথে যত্রতত্র নানান ধরনের খাবারের দোকান চোখে পড়ছিল।

সুন্দর রাস্তায় যেখানে ঘণ্টা প্রতি ১০০-১২০ কিলোমিটার স্পিডে নামানো মুশকিল, এই টোলটা দেওয়াটাই সার। এমনিতেও পূজার কারণে কদিন ধরে খুব কম হচ্ছিল, আর কাল রাতে ঘুমোতে ঘুমোতে যখন ঘুম হচ্ছিল, তাই হোটেলে ঢুকে খাওয়ার পর একটু ঘুম দুজনেরই খুব জরুরি ছিল। তবে একবার ঘুমোলে যে উঠতে পারবো না সেটা বুঝে পাঁচটায় অ্যালার্ম দিয়ে রেখেছিলাম। সঙ্গে সঙ্গে সি-বিচ চিলির স্বর্গের পর্যন্ত হেঁটে এলাম। বিনা চিনি দুধ-চা, বালুমোতি সাথে মনমাতানো স্বাদের অন্যরকম সমুদ্রস্নান কটালোনা।

শেষবার পুরী এসেছিলাম ২০১৫ সালে। তা কয়েকমাস আগে ও এম জয়কার জাতীয় দৃষ্টিহীন ফণীর আঘাতে ওড়িশা সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয়েছিল, সমুদ্রতল পুরীর ক্ষতি হয়েছিল। সেইবার ফণীর ধ্বংসের চিহ্ন নিজের চোখে দেখেছি। এবারে এসে দেখলাম, পুরী আস্তে আস্তে নিজেকে

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন