দেশে বাড়ছে এইডস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সেই তুলনায় রাজ্যে কম। এইডস নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা কেন্দ্রে অর্থাৎ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আরও সচেতনতার উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের এক কর্তা বললেন, ১৫ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তবে এই রাজ্যে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য দপ্তর।
সংখ্যাটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রাজ্যে। এই রাজ্যে মধ্যে উত্তরবঙ্গে বেশি আক্রান্ত হয়েছে। রাজ্যে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যেও এইডস রোগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের এক শীর্ষকর্তা ‘পূবের কলম' সংবাদমাধ্যমে বলেন, অন্য রাজ্যের তুলনায় এইডস-এ আক্রান্ত কম এই রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গে শতকরা ১ শতাংশ। অন্য রাজ্যে বেশি। উত্তরবঙ্গে মানুষ আক্রান্ত বেশি আক্রান্ত। এ রাজ্যে নতুন আক্রান্ত হয়েছে ১৯৫৮ জন। প্রতিটি জেলায় এইডস সচেতনতা-প্রচার অব্যাহত রয়েছে। ৩৫ হাজার এইডস আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা চলছে। এইডস আক্রান্ত মহিলাদের থেকে যাতে শিশু জন্ম না নিতে পারে তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যৌনমিলনে এই রোগ ছড়াতে পারে। ১৯৯৮ সাল থেকে প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর পালিত হয় বিশ্ব এইডস দিবস। তবে এই রোগের সংখ্যা কমেনি। বিশ্বজুড়ে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা কমিয়েছে এমন অনেক টেকনিক রয়েছে। জানিয়েছেন এক গবেষক। ২০০৫ সালের তুলনায় এখন অনেকটা কমেছে সংক্রমণ।
দেশে কয়েকটি রাজ্যের এইডস আক্রান্তের তালিকা
দেশের মোট আক্রান্ত ২,৪৪,০৪৪ জন (নতুন আক্রান্ত ৩৮,৭২৯) মহারাষ্ট্র- ৬৩,৮২৯, কর্ণাটক- ২৯,৮০, ৪৯৭ অন্ধ্রপ্রদেশ- ৩২,২২, কেরালা- ৯, ৬৭,১৬৪, তামিলনাড়ু- ১,৫৮,৬৬৬, গুজরাট- ১,২০, ৩৩২, পশ্চিমবঙ্গ- ৭৭,২২৩, মণিপুর- ২৪,৪৭২, ত্রিপুরা- ১০, ১২৬, ছত্তিশগড়- ৯,৪৭২ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।
বর্তমানে ভারতের অবস্থান কেমন, এই নিয়ে এক গবেষণা চলছে। আগে যে পরিমাণ আক্রান্ত ছিল, তার চেয়ে সংখ্যাটা অনেকটাই কমেছে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত। অন্য এক রিপোর্টে কমেছে। ২০২৫ সালে বিশ্বে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু সংখ্যা প্রায় তিন কোটি মানুষের হবে। আক্রান্ত প্রায় তিন কোটি মানুষের হবে। যেখানেই হোক, এইডস দিবসে এই নিয়ে সচেতন হল প্রধান কাজ। আন্তর্জাতিক সংখ্যা যেখানে ভয় বাড়াচ্ছে, সেই চেষ্টাই চালাচ্ছে বিভিন্ন দেশ ও রাজ্য।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন